শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
খাগড়াছড়িতে সম্প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত রাজস্থলীতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত বান্দরবানে সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধী সমাবেশ করেছেন বান্দরবান জেলা বিএনপি দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে কিশোরীদের স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক ক্লাস খাগড়াছড়িতে সমাজসেবা অধিদপ্তরের কার্যক্রম অবহিতকরণ সেমিনার অনুষ্ঠিত বরকলে জোন কাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হরিনা আমতলা একাদশ লংগদুতে সেতু থেকে পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু বাঙ্গালহালিয়া ইউপি নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী বাবলু মিয়া পানছড়িতে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত লামায় ৫০০-১ হাজার টাকায় শিক্ষকতা, দুর্গম পথ পেরিয়ে শিক্ষার্থীদের পাশে অথোয়ই কক্সবাজারে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রাঙ্গুনিয়ায় ৮৩ লাখ টাকার অবৈধ সিগারেটসহ ডাম্পার জব্দ, আটক ২ খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে সেবার মানোন্নয়নে স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের সুপারিশ দীঘিনালায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিয়ে সেনাবাহিনীর মতবিনিময় সভা বাঘাইছড়িতে ২৭ বিজিবির বৃক্ষরোপণ ও মানবিক সহায়তা দীঘিনালায় আল হেরা ইসলামি একাডেমিতে কুরআনের সবক ও পুরস্কার বিতরণ

অর্থ-সম্পদ হাতিয়ে পরপুরুষের সাথে নিজের স্ত্রী; স্বামীর সংবাদ সম্মেলন

Reporter Name
????????

মো.গোলামুর রহমান, লংগদু

রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার ৩নং গুলশাখালী ইউনিয়নের ২ নংওয়ার্ড রাজনগর এলাকার বাসিন্দা হাবিবুর রহমান মানিক, তার স্ত্রী বিরুদ্ধে পর পুরুষের সাথে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ এনে প্রবাসী স্বামীর অর্থ ও সম্পদ আত্মসাৎ এবং  মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে স্ত্রীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।

বুধবার (২৪ জুন) সকাল ১১টায় হাবিবুর রহমান মানিক নিজ বাড়িতে তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমার স্ত্রীর নাম দিল আফরোজা আক্তার লিপি। ২০০১ সালে বাঘাইছড়ি উপজেলার হাজিপাড়া এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সচিব মো.মমিনুল ইসলামের প্রথম কন্যা সন্তানকে বিয়ে করি।

সংসার জীবনে তাদের দুই সন্তান, ছেলে এবং মেয়ে রয়েছে। হাবিবুর রহমান তার স্ত্রীর ছেলে সন্তানের উন্নত জীবনের জন্য ২০১৬ সালে বিদেশে পাড়ি জমান। কিন্তু ২০১৯ সালে বাসায় এসে তিনি তার স্ত্রী দিল আফরোজার পরকিয়ার বিষয় টের পান। স্ত্রীকে এসব বিষয় জিজ্ঞেস করলে সে অস্বীকার করে এবং ঐ পুরুষকে নিজের বাল্যকালের বন্ধু বলে পরিচয় দেন। স্ত্রীকে এসবে না ঝড়াতে বুঝিয়ে পুনরায় কিছুদিন পর বিদেশে চলে যান স্বামী। বিদেশ গিয়ে এসব বিষয় নজরদারিতে রাখতে স্ত্রীর মেসেঞ্জার আইডি বাড়ি থেকে নিজের মোবাইলে এক্টিভ করে নেন স্বামী। এদিকে দুজনের মধ্যে যা কথা হচ্ছিলো, বিদেশ বসে স্বামী দেখতে পাচ্ছে। এসব বিষয়ে স্ত্রীর কাছে বিদেশ থেকে স্বামী জানতে চাইলে তার স্ত্রী সব স্বীকার করেন এবং বলেন ঐ পুরুষকে তিনি বিয়ে করবেন, এদিকে নিজের স্বামীকে ২০২২ সালে ডিভোর্সের কাগজ অনলাইনে বিদেশে স্বামীর কাছে পাঠিয়ে দেন। এসব বিষয় সহ্য করতে না পেরে স্ত্রীর এমন আচরণ দেখে পরবর্তীতে আবার ২৪ সালে দেশে ফিরেন মানিক।

দেশে আসার পর, দুজন দুজনের আলাদা রুমে থাকেন এবং স্ত্রী কোন অবস্থায় স্বামীকে তার নিজের বিছানায় নিতে রাজি নয়। পরবর্তীতে শর্তসাপেক্ষে স্বামীর স্থায়ী বন্ধত্ব করণে সিদ্ধান্তে পৌঁছে, বিচার সালিসির মাধ্যমে স্থানীয় ইমাম সাহেবের কাছে পুনরায় বিয়ে করেন তারা। কিছু দিন যেতে আবার স্ত্রীর ঐ পুরুষের সাথে যোগাযোগ সৃষ্টি করে। রীতিমতো স্বামীকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিলো। স্বামী প্রাণ ভয়ে লজ্জা সরমে নিজের দেশের বাড়ি ময়মনসিংহে চলে যান। এর কয়েকদিনের মাথায় সেই পরপুরুষ স্বামীর বাড়িতে এসে উঠে। তিন দিন এখানে অবস্থান করে পরে মানুষ জানাজানি হলে ঐ লোক এলাকা ছেড়ে চলে যায়। স্বামীও আবার নিজ বাড়ি ফিরে। তিনি জানান, গত কয়েকদিন আগে আমার স্ত্রী আমার ছেলে মেয়েরা মিলে আমাকে বেধড়ক মারধর করে। পরবর্তীতে আমি প্রাণে বাঁচতে ৯৯৯ কল দিলে স্থায়ী ফাড়িঁ ক্যাম্পের পুলিশ সদস্যরা এসে আমাকে উদ্ধার করে। এবং স্ত্রী যেহেতু পরপুরুষকে বিয়ে করে ফেলেছে, তাই তাকে বাসা থেকে ছেলের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে লংগদু থানা পুলিশের এসআই মামুন সহ রাতের ১২টার সময় একটি টিম আসে,  আমি প্রথমে ঘরে ডুকতে না দিলেও পরে তারা পুলিশ পরিচয় দিয়ে ঘরে প্রবেশ করেন। এই সময় একটি সিজার লিস্ট তৈরী করে নগদ ২ লক্ষ ৯ হাজার টাকা, আনুমানিক ১০থেকে ১২ ভরি স্বর্ণ এবং ছেলের বিদেশ যাওয়ার সকল কাগজ পত্র নিয়ে তাদের দেন এমন অভিযোগ মানিকের। আমার স্ত্রী এসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকেও আমার বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। যার তদন্ত বর্তমানে পি বি আই চট্টগ্রামে আছেন। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে আমি নাকি তার সম্পদ দখল করেছি, তার স্বর্ণ টাকা পয়সা লুট করেছি। আমার সকলের কাছে প্রশ্ন,আমার বাড়ি আমার ঘর, আমার সম্পদ স্বর্ণ টাকা আমার আমি কার গুলো লুট করবো। উল্টো সে আমার গরু ছাগল বিক্রি করে সব ঐ লোককে দিয়েছে।  বাড়ি তৈরীর সময় ৬০ লাখ টাকা পাঠাই আমি।  তার থেকে ৩০ লাখ টাকা ঐ পুরুষকে দিয়ে দিছে বলে স্বীকার করেছে আমার স্ত্রী।

ভুক্তভোগী বলেন আমি বাঁচতে চাই। আমার বাবার জায়গাতে আমি থাকি। এখানে আমাদের সকল ভাই বোনদের হক রয়েছে। আমার বাবার অর্জিনাল কবুলিয়তের জায়গা এটা।  আমি সাংবাদিক ভাইদের মাধ্যমে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমাকে বাঁচার সুযোগ দিন আপনারা। এই মহিলার কারণে আমার সব শেষ হয়েগেছে। আপনারা ভালোভাবে তদন্ত করে সঠিক বিচার টুকু করে আমাকে মুক্তি দিবেন দয়া করে৷


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *