সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রামগড়ে বন্যাদুর্গত পরিবারের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ থানচির একাধিক স্থানে ভূমিধস, সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে সেনাবাহিনী মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত ২৫০ পরিবারের মাঝে সেনা জোনের ত্রাণ বিতরণ বিলাইছড়িতে বন্যা দুর্গত ৫০ পরিবারকে সেনা জোনের ত্রাণ সহায়তা বিলাইছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা কাপ্তাইয়ে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ পানছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত, পরিকল্পিত পরিবার গঠনের আহ্বান পানছড়ি-খাগড়াছড়ি সড়কের একাংশ ধসে, পরিদর্শনে ইউএনও ইসলামপুরে বন্যা ও পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে মাইজভান্ডারি গাউসিয়া হক কমিটির ত্রাণ বিতরণ টেকনাফে ১০ হাজার ইয়াবাসহ সিএনজি চালক আটক বান্দরবানে বন্যাদুর্গতদের পাশে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ রেজা দুর্গম আলীকদমে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সেনাবাহিনী, বিতরণ ত্রাণসামগ্রী লামায় পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে এমপি সাচিংপ্রু জেরি বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বিচ্ছিন্ন দুই সড়কের যোগাযোগ রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী নদীতে নৌকা ডুবে তরুণ নিখোঁজ, চলছে উদ্ধার অভিযান নাইক্ষ্যংছড়িতে বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত স্টিল ব্রিজ, জরুরি মেরামতে ১১ বিজিবি

শিক্ষা ও দক্ষতা ছাড়া ত্রিপুরা জাতির টিকে থাকা কঠিন: কুমিল্লায় ত্রিপুরা শ্রমিক কল্যাণ ফোরামের মিলনমেলায় বক্তারা

নিজস্ব প্রতিনিধি ||

নিজস্ব প্রতিনিধি ||
শিক্ষা ও কারিগরি দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল ও সচেতন জাতি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করা ছাড়া ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর টিকে থাকার আর কোনো বিকল্প নেই—এমন মন্তব্য করেছেন বক্তারা। তারা বলেন, একসময় কুমিল্লা অঞ্চল ত্রিপুরা রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত থাকলেও শিক্ষা, সামাজিক ও রাজনৈতিক অচেতনতায় ত্রিপুরা জাতি ধীরে ধীরে নিজেদের ঐতিহাসিক অস্তিত্ব ও অধিকার হারিয়েছে।

কুমিল্লা ত্রিপুরা শ্রমিক কল্যাণ ফোরামের আয়োজনে মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর ২০২৫) বার্ষিক বনভোজন মিলনমেলা (বলংপানা), আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এ কথা বলেন অতিথিরা।

সংগঠনের সভাপতি ধনবান ত্রিপুরার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন জাবারাং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদকপ্রাপ্ত লেখক ও গবেষক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. জি এম মনিরুজ্জামান।
গেস্ট অব অনার ছিলেন ত্রিপুরা কল্যাণ ফাউন্ডেশন, রাঙামাটি জেলার সভাপতি বিদ্যুৎ শংকর ত্রিপুরা।

মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সমাজকর্মী ও চট্টগ্রাম মহানগর ত্রিপুরা কল্যাণ ফোরামের সাবেক সভাপতি সুরেশ বরণ ত্রিপুরা।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাত্রিকস গুইমারা আঞ্চলিক শাখার সভাপতি বিশ্ব কুমার ত্রিপুরা, বাত্রিকস কুমিল্লা জেলার মলিন্দ্র দেববর্মন, কুমিল্লা ত্রিপুরা শ্রমিক কল্যাণ ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা হিরলাল ত্রিপুরা, উপদেষ্টা মাচাং দয়াবান ত্রিপুরা, টিএসএফ বিডি কুমিল্লা মহানগর শাখার সাবেক সভাপতি যুবরাজ দেববর্মা এবং টিএসএফ বিডি খাগড়াছড়ি সদর শাখার সভাপতি আকাশ ত্রিপুরা।

বক্তারা বলেন, কুমিল্লা একসময় ত্রিপুরা রাজ্যের অংশ ছিল। ত্রিপুরা মহারাজার শাসনামলের বহু ঐতিহাসিক নিদর্শন আজ বিলুপ্তপ্রায় হলেও রাজদরবার, ধর্মসাগর, রানীর কুটির ও লাইব্রেরিসহ কয়েকটি স্থাপনা এখনও জেলা প্রশাসনের আওতায় সংরক্ষিত রয়েছে। তবে জাতিগত ঐতিহ্য ও অধিকার রক্ষায় শিক্ষা ও সচেতনতার ঘাটতি বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আলোচনা সভা শেষে প্রীতি ভোজ অনুষ্ঠিত হয়।
পরবর্তী দ্বিতীয় অধিবেশনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন তিন পার্বত্য জেলার প্রবীণ শিল্পী বিদ্যুৎ শংকর ত্রিপুরা, তরুণ শিল্পী জয়েস ত্রিপুরা, জুলিপ্রু মার্মা, আরশি ত্রিপুরা ও পার্কি চাকমা।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কুমিল্লা ত্রিপুরা শ্রমিক কল্যাণ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক নিপন জ্যেতি ত্রিপুরা ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পুষ্পিতা ত্রিপুরা, শিক্ষার্থী, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *