
এ উদ্যোগে প্রধান শিক্ষক নুরুল আবচারের সঙ্গে রয়েছেন সহকারী শিক্ষক মরিয়ম আক্তার, সুলতান মাহমুদ (মাসুম) এবং প্যারা শিক্ষক আইমন জান্নাত। তাঁরা শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া, নিয়মিত অনুশীলনে উৎসাহিত করা এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের বাড়তি সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
শিক্ষকদের মতে, দীর্ঘ ছুটিতে নিয়মিত পড়াশোনার চর্চা ব্যাহত হলে বিশেষ করে পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি বাড়তে পারে। এ কারণে ছুটির সময়েও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখা প্রয়োজন।
প্রধান শিক্ষক নুরুল আবচার বলেন, “ছুটির কারণে যেন কোনো শিক্ষার্থী পড়াশোনা থেকে পিছিয়ে না পড়ে, সেই লক্ষ্যেই আমরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি। বিশেষ করে যারা পড়াশোনায় দুর্বল, তাদের বাড়তি সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও অভিভাবকদের সহযোগিতা থাকলে ছুটির সময়েও শেখার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব।”
সহকারী শিক্ষক মরিয়ম আক্তার, সুলতান মাহমুদ (মাসুম) ও প্যারা শিক্ষক আইমন জান্নাতও শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অনুশীলনে উৎসাহিত করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সহযোগিতা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।
এদিকে, শিক্ষার্থীরা ছুটির মধ্যে পড়াশোনার অভিজ্ঞতা ও শিক্ষকদের সহযোগিতার বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরে। স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও অভিভাবকেরাও এ উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁদের মতে, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ ধরে রাখতে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পাশাপাশি পরিবারেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
মংচিং পাড়া কারবারি অংশৈপ্রু মার্মা শিশুদের শিক্ষার প্রসারে স্থানীয় সমাজের দায়িত্ব ও সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের শেখার ঘাটতি চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হলে তাদের ভিত্তি মজবুত করা সম্ভব। তবে এ ধরনের উদ্যোগের সুফল ধরে রাখতে নিয়মিত অনুশীলন, শিক্ষকদের তদারকি এবং অভিভাবকদের ধারাবাহিক সহযোগিতা প্রয়োজন।
স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের প্রত্যাশা, মংচিং হেডম্যান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এ উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে এবং পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের শেখার সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মদ সাজু মিয়া, চৌধুরী বোডিং, আদালত সড়ক, খাগড়াছড়ি সদর, খাগড়াছড়ি।
মোবাইল: 01737443344, 01557273434, ই-মেইল: newsalokitopahar@gmail.com
www.alokitopahar.com