
রবিবার (২১ জুন ২০২৬) পানছড়ি প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আছাদ শেখ। তিনি অভিযোগ করেন, হেডম্যান টিলা এলাকার বাসিন্দা মো. শহিদ মিয়া (পিতা-মৃত চারু মিয়া) দীর্ঘদিন ধরে তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হয়রানি, হামলা ও হুমকি দিয়ে আসছেন।
লিখিত বক্তব্যে আছাদ শেখ জানান, ১৫ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে তার প্রতিবন্ধী শ্যালককে মারধরের ঘটনায় অনুষ্ঠিত গ্রাম্য সালিশে শহিদ মিয়াকে দায়ী করা হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার বিষয়ে একটি অঙ্গীকারনামা দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ১৫ মে ২০২৬ তারিখে তার স্ত্রী, নাবালিকা কন্যা ও ছয় বছর বয়সী সন্তান মারধরের শিকার হন বলে তিনি অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় পানছড়ি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলে স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে পুনরায় অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ১৬ জুন ২০২৬ তারিখে একটি মামলার সাক্ষী আলেকা বেগমকে মারধরের চেষ্টা করা হয়। এছাড়া ১৮ জুন তার স্ত্রী ও সন্তানদের পথরোধ করে লাঠি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে মারধর করা হয়, এতে তারা আহত হন। একই দিনে তাকেও মারধর করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।
আছাদ শেখের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় পানছড়ি থানায় মামলা নং-০২, তারিখ ১৯ জুন ২০২৬ রুজু করা হয়। মামলার প্রধান আসামি শহিদ মিয়াকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হলেও তিনি একই দিন জামিনে মুক্তি পান। এরপরও তাকে ও তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন আছাদ শেখ।
সংবাদ সম্মেলনে আছাদ শেখের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, বিচার এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শহিদ মিয়ার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে পানছড়ি থানা সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান আছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মদ সাজু মিয়া, চৌধুরী বোডিং, আদালত সড়ক, খাগড়াছড়ি সদর, খাগড়াছড়ি।
মোবাইল: 01737443344, 01557273434, ই-মেইল: newsalokitopahar@gmail.com
www.alokitopahar.com