
উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শামসু তঞ্চঙ্গ্যা বুধবার (৮ জুলাই) সকালে ফারুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি জানান, তক্তানালা, ওড়াছড়ি, যমুনাছড়ি, যামুছড়া, শুক্করছড়ি, চাইন্দা, আলেচং, রোয়াপড়াছড়া, এগুজ্যাছড়ি, ঝাংবিল, ফারুয়া বাজার, উলুছড়ি, তাড়াছড়ি, চাইন্দাপাড়া ও গোয়াইনছড়িপাড়াসহ বেশ কয়েকটি এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকায় কৃষিজমির ফসলের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
যমুনাছড়ি এলাকার বাসিন্দা রবার্ট বম জানান, তাদের গির্জায় বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। পাশাপাশি বসতঘরেও পানি প্রবেশ করায় স্থানীয়দের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, প্লাবিত এলাকায় অনেক বসতঘর, মসজিদ, গির্জা ও পাড়াকেন্দ্রে পানি ঢুকেছে। নিম্ন আয়ের মানুষ কর্মস্থলে যেতে না পারায় জীবিকা নির্বাহে সংকটে পড়েছেন। এছাড়া বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দেওয়ায় পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, প্রবল স্রোতের কারণে বিভিন্ন এলাকার সড়ক ও নৌপথে যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
এদিকে, ফারুয়া ইউনিয়নের পাশাপাশি বিলাইছড়ি সদর ও কেংড়াছড়ি ইউনিয়নেরও বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও বন্যার প্রভাব পড়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে প্রয়োজনীয় সহায়তা ও পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মদ সাজু মিয়া, চৌধুরী বোডিং, আদালত সড়ক, খাগড়াছড়ি সদর, খাগড়াছড়ি।
মোবাইল: 01737443344, 01557273434, ই-মেইল: newsalokitopahar@gmail.com
www.alokitopahar.com