মো. আবুল হাসেম, প্রতিনিধি:
খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় আমন মৌসুমে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) উদ্ভাবিত জলমগ্নতাসহিষ্ণু ও উচ্চফলনশীল ধানের জাত ব্রি ধান-১১০-এর ফসল কর্তন ও মাঠদিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষামূলক চাষে ১৪ শতাংশ আর্দ্রতায় হেক্টরপ্রতি ৬ দশমিক ৪০ টন ফলন পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) উপজেলার বরাদম গ্রামে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন (এলএসটিডি) প্রকল্পের অর্থায়নে স্থানীয় কৃষক বাবলু চাকমার জমিতে ব্রি ধান-১১০-এর প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করা হয়। ওই জমিতে উৎপাদিত ধান কর্তনের পর ফলন পরিমাপ করে হেক্টরপ্রতি ৬ দশমিক ৪০ টন পাওয়া যায়।
মাঠদিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক নাসির উদ্দিন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন দীঘিনালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান সুমন।
এতে সভাপতিত্ব করেন ব্রি খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক কার্যালয়ের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মীর ওবায়দুর রহমান শাওন।
মাঠদিবসে উপস্থিত স্থানীয় কৃষকেরা ব্রি ধান-১১০-এর ফলন দেখে সন্তোষ ও আগ্রহ প্রকাশ করেন। তাঁরা এ জাতের বীজ সংরক্ষণ করে আগামী আমন মৌসুমে চাষাবাদের আগ্রহের কথা জানান।
উল্লেখ্য, এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় কৃষক বাবলু চাকমাকে ব্রি ধান-১১০ চাষের জন্য বিনামূল্যে ধানের বীজ, সার, কীটনাশক ও বালাইনাশক সরবরাহ করা হয়েছিল।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মদ সাজু মিয়া
ঠিকানা: চৌধুরী বোডিং (নিচ তলা) আদালত সড়ক, খাগড়াছড়ি সদর, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা।
মোবাইল: ০১৭৩৭৪৪৩৩৪৪, ০১৫৫৭২৭৩৪৩৪ E-Mail: newsalokitopahar@gmail.com
www.alokitopahar.com