রাঙ্গামাটি-২৯৯ সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী দীপেন দেওয়ান বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, দীপেন দেওয়ান পেয়েছেন ২ লাখ ১হাজার ৫৪৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা (ফুটবল) পেয়েছেন ৩১ হাজার ২২২ ভোট।
এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুহাম্মদ আবু বকর ছিদ্দিক (রিকশা) পেয়েছেন ২২ হাজার ৫১৫ ভোট। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জুঁই চাকমা (কোদাল) পেয়েছেন ১ হাজার ৭১ ভোট। জাতীয় পার্টির অশোক তালুকদার (নাঙ্গল) পেয়েছেন ২ হাজার ৯৭৪ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জসিম উদ্দিন (হাতপাখা) পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৭২ ভোট। গণঅধিকার পরিষদের মো. আবুল বাশার (ট্রাক) পেয়েছেন ৪৪৯ ভোট। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৭১ হাজার ৬৯৯ এবং ‘না’ ভোট ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮০৫।
জেলার ২১৩টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে বাঘাইছড়িতে পৌরসভাসহ ৩৯টি, লংগদুতে ২২টি, নানিয়ারচরে ১৪টি, বরকলে ১৭টি, জুড়াছড়িতে ১৩টি, রাঙ্গামাটি সদরে পৌরসভাসহ ৪১টি, কাউখালীতে ২০টি, কাপ্তাইয়ে ২২টি, রাজস্থলীতে ১২টি এবং বিলাইছড়ি উপজেলায় ১৩টি কেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে হেলিসর্টি কেন্দ্র রয়েছে ২০টি। মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৫ লাখ ৯ হাজার ২৬৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৬৩ হাজার ৪১০ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৫৫ জন। মোট প্রদত্ত ভোটের হার ছিল ৫৪ দশমিক ০৭ শতাংশ। এদিকে,নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে পুরো জেলাজুড়ে বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। পাহাড়ের অলিগলি থেকে শুরু করে শহরের সবখানেই এখন ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের জয়গান।
এবারের নির্বাচনে অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান শুরু থেকেই পাহাড়ি-বাঙালি সম্প্রীতির প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ ভোটারদের নজর কেড়েছিলেন। রাঙ্গামাটির ১০টি উপজেলা ও দুটি পৌরসভায় অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে এক অভূতপূর্ব গণজোয়ার দেখা দেয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মদ সাজু মিয়া, চৌধুরী বোডিং, আদালত সড়ক, খাগড়াছড়ি সদর, খাগড়াছড়ি।
মোবাইল: 01737443344, 01557273434, ই-মেইল: newsalokitopahar@gmail.com
www.alokitopahar.com