রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় অতিরিক্ত গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে তীব্র লোডশেডিং। এতে উপজেলার সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। দিনে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা পর পর বিদ্যুৎ সরবরাহ মিললেও রাতে এক ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎ না থাকায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থী, বিশেষ করে এসএসসি পরীক্ষার্থী ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিনের বেলায়ও নিয়মিত বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ঘরোয়া কাজে ব্যাপক ব্যাঘাত ঘটছে। রাতের বেলায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে, যখন দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন মানুষ।
বাঘাইছড়ি বিদ্যুৎ বিভাগের আবাসিক প্রকৌশলী শুগত চাকমা বলেন, “উপজেলায় প্রায় ৮ হাজার ৫০০ গ্রাহকের জন্য দৈনিক চার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন। কিন্তু আমরা পাচ্ছি মাত্র দেড় মেগাওয়াট। ফলে আড়াই মেগাওয়াট ঘাটতি থাকায় বাধ্য হয়েই ২ থেকে ৩ ঘণ্টা পর পর লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “জাতীয় গ্রিড থেকে যদি অন্তত আরও দুই থেকে আড়াই মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বরাদ্দ পাওয়া যায়, তাহলে ৪৫ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা পর পর নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে।”
অব্যাহত এই বিদ্যুৎ সংকটে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মদ সাজু মিয়া, চৌধুরী বোডিং, আদালত সড়ক, খাগড়াছড়ি সদর, খাগড়াছড়ি।
মোবাইল: 01737443344, 01557273434, ই-মেইল: newsalokitopahar@gmail.com
www.alokitopahar.com