ঈদগাঁও প্রতিনিধি॥
কক্সবাজারে ইউনিয়ন মাইগ্রেশন ফোরাম এবং বিরোধ ব্যবস্থাপনা কমিটির (জিএমসি) সদস্যদের নিয়ে ‘জেন্ডার সংবেদনশীলতা নিশ্চিতকরণে দক্ষতা উন্নয়ন’ বিষয়ক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১১ মে ২০২৬) কক্সবাজারের একটি হোটেলের সম্মেলন কক্ষে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। স্ট্রেনদেনথ্ এন্ড ইনফরমেটিভ মাইগ্রেশন সিস্টেমস (সিমস্) দ্বিতীয় পর্যায় প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামভিত্তিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘প্রত্যাশী’ এটি বাস্তবায়ন করে। আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘হেলভেটাস বাংলাদেশ’-এর কারিগরি সহায়তায় পরিচালিত প্রকল্পটির সঙ্গে ওকাপ, রামরু ও সিসিডিএ যুক্ত রয়েছে। এছাড়া অভিবাসীদের মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করছে বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতি।
প্রশিক্ষণে জানানো হয়, নিরাপদ অভিবাসন ব্যবস্থাপনা এবং সুশাসন নিশ্চিতের মাধ্যমে নারী-পুরুষসহ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়নে কাজ করছে সিমস্ প্রকল্প। পাশাপাশি নিরাপদ অভিবাসন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি, সঠিক তথ্য প্রদান, প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের আইনি সহায়তা ও পরামর্শ প্রদান এবং রেমিটেন্সের যথাযথ ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সিমস্ প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার ও জেলা সমন্বয়কারী রশিদা খাতুন। ‘সমান সুযোগ সমান অধিকার, নিরাপদ অভিবাসন আমাদের অঙ্গীকার’— এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণের শুরুতে সংস্থা ও প্রকল্প পরিচিতি তুলে ধরেন প্রকল্প কর্মকর্তা তৌহিদা জান্নাত শিমু।
এ সময় জিএমসি ও ফোরামের দায়িত্ব ও কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন সিমস্ প্রকল্পের প্রজেক্ট অফিসাররা। এছাড়া জেন্ডার বিষয়ক ধারণা, সেক্স ও জেন্ডারের পার্থক্য এবং জিএমসি ও ফোরাম সদস্যদের জেন্ডার দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আলোচনা করেন প্রত্যাশীর হেড অফিসের জেন্ডার ফোকাল পয়েন্ট ও প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা সুবর্ণা সেলিম।
প্রশিক্ষণে আরও জানানো হয়, বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক মানুষ বিদেশে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে গেলেও সঠিক তথ্য ও নিয়ম সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে অনেকেই বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হন। এ ক্ষেত্রে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও লাভজনক অভিবাসন নিশ্চিত করতে সরকার নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পরামর্শ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রশিক্ষণে রশিদ নগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এমডি শাহ আলম, বরইতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. ছালেকুজ্জামান, সিনিয়র সাংবাদিক মো. রেজাউল করিমসহ মোট ২৮ জন অংশগ্রহণ করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মদ সাজু মিয়া, চৌধুরী বোডিং, আদালত সড়ক, খাগড়াছড়ি সদর, খাগড়াছড়ি।
মোবাইল: 01737443344, 01557273434, ই-মেইল: newsalokitopahar@gmail.com
www.alokitopahar.com