কাপ্তাই উপজেলা সংবাদদাতা।।
পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র চার দিন বাকি। সময় যত ঘনিয়ে আসছে, ততই জমে উঠছে কাপ্তাই উপজেলার নতুন বাজার মাঠের কোরবানির পশুর হাট। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক গরু আসায় হাটে এখন ক্রেতা-বিক্রেতাদের সরব উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে। তবে বাজারে মাঝারি আকারের গরুর চাহিদাই সবচেয়ে বেশি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
হাট ঘুরে দেখা গেছে, লাভের আশায় দূর-দূরান্ত থেকে শত শত পাহাড়ি গরু নিয়ে এসেছেন ব্যবসায়ীরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়া, তত্তানালা, আলিখেয়ং, বরকল ও মাইনি থেগাসহ বিভিন্ন দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল থেকে ট্রলার ও বিভিন্ন যানবাহনে করে এসব গরু হাটে আনা হয়েছে। কোনো কোনো বড় ব্যবসায়ী ৮০টি, কেউ ৫০টি, আবার কেউ ২০ থেকে ২৫টি পর্যন্ত গরু বিক্রির জন্য হাটে তুলেছেন।
এদিকে পশুর তুলনায় হাটে মানুষের উপস্থিতি বেশি দেখা গেলেও বেচাকেনা এখনো পুরোপুরি জমে ওঠেনি। অধিকাংশ ক্রেতা হাটে ঘুরে পশু দেখছেন এবং দরদাম করছেন। অনেকেই শেষ মুহূর্তে কোরবানির পশু কিনতে চান বলে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না। আবার কেউ কেউ শেষ সময়ের ভিড় ও সম্ভাব্য দাম বৃদ্ধির আশঙ্কায় আগেভাগেই পছন্দের পশু কিনে বাড়ি ফিরছেন।
স্থানীয় বাজারে বেচাকেনা কিছুটা ধীরগতির হলেও পাইকারি ব্যবসায়ীরা সক্রিয় রয়েছেন। রাঙ্গুনিয়া ও রাউজানসহ বিভিন্ন এলাকার ব্যাপারীরা দলবেঁধে হাট থেকে গরু কিনে ট্রাকে করে নিয়ে যাচ্ছেন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হাটে আসা পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভেটেরিনারি টিম সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে। ক্রেতা-বিক্রেতারা যাতে সুস্থ পশু কেনাবেচা করতে পারেন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করতেই এই তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে হাটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। জাল নোট প্রতিরোধ ও হাটের সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তারা কড়া নজরদারি চালাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত হাটে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই কেনাবেচা চলছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মদ সাজু মিয়া, চৌধুরী বোডিং, আদালত সড়ক, খাগড়াছড়ি সদর, খাগড়াছড়ি।
মোবাইল: 01737443344, 01557273434, ই-মেইল: newsalokitopahar@gmail.com
www.alokitopahar.com