
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুন ২০২৬ তারিখে মহালছড়ি উপজেলার পঙ্খীমুড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনার পর ধারাবাহিকভাবে মঙ্গলবার (২ জুন) মাইসছড়ি কমলাবাগান এলাকায় আরও একটি অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় সেনাবাহিনী সশস্ত্র গোষ্ঠী ইউপিডিএফ (মূল)-এর সরঞ্জাম মজুদের কোনো নির্দিষ্ট অবস্থান খুঁজে না পেলেও একটি অস্থায়ী আস্তানার সন্ধান পায়।
পরবর্তীতে অভিযানকারী দল ওই স্থানে ব্যাপক তল্লাশি চালায়। এ সময় অস্ত্র সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত বাঙ্কার, ডিউটি পোস্ট, বিশ্রামাগার এবং কথিত প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার স্থানসহ বিভিন্ন স্থাপনার অস্তিত্ব শনাক্ত করা হয়। অভিযান শেষে ঘাঁটির অবকাঠামো ধ্বংস করা হয় এবং এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলে জানানো হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে দুর্গম ওই এলাকায় একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর কিছু সদস্য অবস্থান করত এবং বিভিন্ন সময়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ ছিল। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় বলে তারা জানান।
এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, সেনাবাহিনীর নিয়মিত টহল ও অভিযানের কারণে এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা অনেকাংশে কমে এসেছে। ফলে স্থানীয়রা আগের তুলনায় বেশি নিরাপদ বোধ করছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, পাহাড়ি অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সশস্ত্র কার্যক্রম দমনের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে কমলাবাগান ও আশপাশের এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক তৎপরতা অব্যাহত থাকলে পাহাড়ি অঞ্চলে সশস্ত্র সহিংসতা ও চাঁদাবাজি কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে, যা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মদ সাজু মিয়া, চৌধুরী বোডিং, আদালত সড়ক, খাগড়াছড়ি সদর, খাগড়াছড়ি।
মোবাইল: 01737443344, 01557273434, ই-মেইল: newsalokitopahar@gmail.com
www.alokitopahar.com