ঈদগাঁও উপজেলায় জুনিয়র (অষ্টম শ্রেণি), ইবতেদায়ী (পঞ্চম শ্রেণি) ও দাখিল অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা রোববার (২৮ ডিসেম্বর) শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শেষ হয়েছে। নবগঠিত ঈদগাঁও উপজেলায় প্রথমবারের মতো দুইটি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, দুইটি কেন্দ্রে ইবতেদায়ী (৫ম)সহ মোট ৬৫৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৫৯৭ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। অনুপস্থিত ছিল ৬১ জন। পরীক্ষা কেন্দ্র দুটি পরিদর্শন করেন ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর কামরুজ্জামান কবির, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার রাশেদুল হাসান মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এবং ঈদগাঁও থানার একজন পুলিশ পরিদর্শক।
ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (কোড-৩৫৬) কেন্দ্রে ৯টি বিদ্যালয়ের ১৫৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৪০ জন অংশগ্রহণ করে। অনুপস্থিত ছিল ১৪ জন। কেন্দ্রের অফিস তত্ত্বাবধায়ক আনিসুর রহমান ও সহকারী মোহাম্মদ আলম জানান, এ কেন্দ্রে সর্বোচ্চ ৪২ জন পরীক্ষার্থী ছিল ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের। এর মধ্যে ছাত্র ২৫ জন ও ছাত্রী ১৭ জন। সর্বনিম্ন পরীক্ষার্থী ছিল দারুল ফাতাহ একাডেমীর, মাত্র তিনজন—যার মধ্যে একজন ছাত্রী। পরীক্ষায় কোনো পরীক্ষার্থী বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেনি।
তিনি আরও জানান, কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন যুব উন্নয়ন অফিসার মো. ইলিয়াছ মিয়া, কেন্দ্র সচিব খুরশীদুল জন্নাত, হল সুপার গিয়াস উদ্দিন এবং সহকারী হল সুপার নজরুল ইসলাম হোসাইনী। প্রথম দিনে বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। মোট পাঁচটি বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে—বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়। বাংলা, ইংরেজি ও গণিতের পূর্ণমান ১০০ এবং বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়ের পূর্ণমান ৫০ করে। এ কেন্দ্রে তিনটি কক্ষে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং ছয়জন পর্যবেক্ষক দায়িত্ব পালন করেন। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন ঈদগাঁও থানার দুইজন পুলিশ সদস্য।
সোমবার ইংরেজি, মঙ্গলবার গণিত এবং বুধবার বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
মাদ্রাসা পর্যায়ে আলমাছিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা কেন্দ্রে মোট ১৮টি মাদ্রাসা অংশ নেয়। ইবতেদায়ী পর্যায়ে ৩১৬ জনের মধ্যে ২৯৬ জন এবং দাখিল অষ্টম শ্রেণিতে ১৮৮ জনের মধ্যে ১৬১ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার। কেন্দ্র সচিব ছিলেন অধ্যক্ষ হেফাজত উল্লাহ নদভী এবং হল সুপার ছিলেন মৌলানা মনছুর আলম। প্রথম দিনের পরীক্ষার বিষয় ছিল বাংলা।
উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার জানান, প্রাথমিক পর্যায়ের বৃত্তি পরীক্ষা কিছুদিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সার্বিকভাবে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ঈদগাঁও উপজেলায় বৃত্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মুহাম্মদ সাজু মিয়া, চৌধুরী বোডিং, আদালত সড়ক, খাগড়াছড়ি সদর, খাগড়াছড়ি।
মোবাইল: 01737443344, 01557273434, ই-মেইল: newsalokitopahar@gmail.com
www.alokitopahar.com