বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাটিরাঙ্গায় দুই ফার্মেসিকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা থানচিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দিল উপজেলা প্রশাসন পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্তদের খাবার দিল খাগড়াছড়ি সদর জোন বলীপাড়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে ৩৮ বিজিবির সদস্যরা থানচিতে আগুনে ১৩ দোকান পুড়ে ছাই ব্যাঙছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপকরণ বিতরণ মাটিরাঙ্গায় বেহাল সড়ক মেরামতে আনসার-ভিডিপির উদ্যোগ বিলাইছড়িতে এমপির প্রতিনিধি জাফর আহাম্মদ ও ধনমনি চাকমা তামাক চাষ বন্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান লক্ষীছড়ির দুল্যাতলীতে প্রান্তিক কৃষকদের কৃষি প্রশিক্ষণ পুষ্টিকর খাবারের রান্না প্রদর্শনী ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত মাইসছড়ি চৌধুরী পাড়ায় বাঘাইছড়িতে জিয়াউর রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের শিরোপা হাজী নুরুল আলম একাদশের লংগদু জোন সদরে গণ্যমান্যদের সঙ্গে সমন্বয় সভা লামায় ৫ ইটভাটা মালিককে আসামী করে থানায় মামলা সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ছানি অপারেশনের জন্য চট্টগ্রামে গেলেন ৮৪ রোগী মাদকদ্রব্য সেবন ও এলাকার শৃঙ্খলা নষ্টের দায়ে নারীসহ দুজনকে জেল জরিমানা

আলীকদমে সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকায় সেনাবাহিনীর শীতবস্ত্র বিতরণ

মো: জয়নাল আবেদীন, আলীকদম প্রতিনিধি।।

পাহাড়ি অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও টেকসই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার লক্ষ্যে আলীকদম সেনা জোনের উদ্যোগে আলীকদম উপজেলার কুরুকপাতা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত সাধারণ জনগণের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার (২৫ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে কুরুকপাতা ইউনিয়নের সিন্ধুমুখ পাড়া, ইন্দুমুখ পাড়া ও বড় আগলা পাড়া—মোট ১০০টি পরিবারের মধ্যে শীতের কম্বল বিতরণ করা হয়।

শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলীকদম সেনা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আশিকুর রহমান আশিক, এসপিপি, পিএসসি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সেনা জোনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

জোন কমান্ডার অনুষ্ঠানে বলেন, “দুর্গম ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক ও পেশাগত দায়িত্ব। পাহাড়ি অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা পাহাড়ি এলাকায় স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যেকোনো সন্দেহজনক তৎপরতা সম্পর্কে সেনাবাহিনীকে তথ্য জানানো প্রয়োজন।

জোন কমান্ডার শিক্ষার গুরুত্বও তুলে ধরে বলেন, “শিক্ষাই পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সমাজে মর্যাদার সাথে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের নিয়মিত স্কুলে পাঠান।”

তিনি মূরং কমপ্লেক্সের উদাহরণ উল্লেখ করে বলেন, বান্দরবান রিজিয়ন ও আলীকদম সেনা জোনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত মূরং কমপ্লেক্সে সুবিধাবঞ্চিত মূরং শিশুদের বিনামূল্যে আবাসিক থাকা-খাওয়া ও শিক্ষা প্রদান করা হয়।

এছাড়া আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে মূরং সম্প্রদায়ের যুবকদের জন্য বিনামূল্যে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু হবে বলে জানান। তিনি যুবসমাজকে মাদক ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান।

জোন কমান্ডার পুনর্ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অতীতেও জনগণের পাশে ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে জনগণের পাশে দায়িত্ব পালন করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *