April 11, 2026, 8:46 pm
শিরোনাম :
নানিয়ারচরে সেনা জোনের উদ্যোগে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ কক্সবাজারে পরকীয়ার জেরে যুবক নিহত, ছেলে গ্রেপ্তার মাটিরাঙ্গায় বৈসাবি ও নববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ খাদ্যশস্য বরাদ্দ প্রদান মানিকছড়িতে সংঘদান ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ফাইতং ইউনিয়নে অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম অব্যাহত, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বৈসাবির আমেজে মুখর খাগড়াছড়ি: সাংগ্রাই উৎসবে প্রাণ ফিরে পেল মারমা সংস্কৃতি বান্দরবানে সিনিয়র সিভিল জজ পদ শূন্য, বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি চরমে বাঘাইছড়িতে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার রামুতে পুকুর ভরাট ও গাছ কাটার অভিযোগে মামলা, তদন্তে পুলিশ রাজস্থলীতে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ কক্সবাজারে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত বগাবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত স্ত্রী হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিলাইছড়িতে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ সম্পন্ন রাজস্থলীতে বৈসাবী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কাপ্তাইয়ে ব্যাঙছড়ি সড়ক সংস্কার না হওয়ায় ভোগান্তিতে ৫ হাজার পরিবার দীঘিনালায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের আর্থিক সহায়তা বিতরণ রাজস্থলীতে নতুন বছর বরণে মারমা তরুণ-তরুণীদের শরবত বিতরণ রাজস্থলীতে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন পাহাড়ে অস্বচ্ছলদের জন্য ফ্রি আই ক্যাম্প ও ছানি অপারেশন উদ্যোগ
Notice :

পাহাড়ি নারীরা এখনও ব্যবহার করছেন প্রথাগত বুনন ও পোশাক তৈরির প্রযুক্তি

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী, রাঙ্গামাটি ॥

পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নারী এখনও পাহাড়ি প্রথাগত প্রযুক্তি ব্যবহার করে পোশাক তৈরি করছেন। একসময় শিমুল গাছের তুলা থেকে চরকার মাধ্যমে সুতা তৈরি করা হতো, যা পরে রিনাই-রিনা, পিনন, খাদি ও থামি বুননের কাজে ব্যবহার হতো।

বর্তমানে শিমুল তুলার উৎপাদন কমে যাওয়ায় এবং সুতা তৈরির প্রথাগত পদ্ধতি সময়সাপেক্ষ হওয়ায়, পাহাড়ি নারীরা বাজার থেকে প্রস্তুত সুতা কিনে কাপড় বুনছেন।

বনরুপা বাজারে আসা পরানি মা জানান, “ঘরসংসার, সবজি চাষের ফাঁকে কোমর তাঁতে পিনন, খাদি, শীতের মাবলার ও চাদর তৈরি করে স্থানীয় বাজারের দোকানগুলোতে সরবরাহ করি। এতে সংসারের চাহিদা মেটানো সহজ হয়।”

আরেক বিক্রেতা চিচিকো মা বলেন, “পিনন, খাদি ও থামির চাহিদা পুরো বছর থাকে। তবে পহেলা বৈশাখ, সাংগ্রাই, বিসু ও বিহু উৎসবে চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তখন আমাদের লাভও বেশি হয়।”

ঢাকা থেকে আসা ক্রেতা সুমনো ত্রিপুরা জানান, “মিরপুরের দোকানের জন্য পাহাড়ি পোশাক কিনতে এসেছি। বনরুপা বাজারে সপ্তাহে বুধবার ও শনিবার বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকার ও খুচরা ক্রেতারা আসেন। পোশাকের দাম ৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার বেশি পর্যন্ত হয়ে থাকে। চাহিদা সবসময়ই থাকে।”

স্থানীয়দের মতে, এই পোশাক সাধারণত ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বেশি পড়া হয়। পাহাড়ি ঐতিহ্য ও নকশা দেশুবিদেশে কদর পায়। পাশের দেশ ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের পাহাড়ি অঞ্চলেও এই পোশাক পৌঁছায়।