শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পূর্ব সীমান্ত মিডিয়া নেটওয়ার্কের আত্মপ্রকাশ সভাপতি মাঈনুদ্দিন, সম্পাদক হুমায়ুন কবির টেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর অভিযানে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি ‘ইকরাম’ গ্রেফতার কোতয়ালী থানার বিশেষ অভিযান; হত্যা মামলার পলাতক, মাদক কারবারি ও মাদকসেবীসহ মোট গ্রেফতার ০৪ জন ক্ষমতার রাজনীতি, কিন্তু রুমাবাসীর জন্য নেই দায়বদ্ধতা শান্তি, সাম্য ও সম্প্রীতির হাটহাজারী গড়ার অঙ্গীকার… প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল এমপি রামগড়ে দুই মোটরসাইকেলচালক অপহরণ ও নির্যাতনের অভিযোগ রুমা প্রেসক্লাব পুনর্গঠনের উদ্যোগ, অস্থায়ী দায়িত্বে লোকমান হাকিম ও মথি ত্রিপুরা বাংলাদেশ ত্রিপুরা শ্রমিক সংসদের খাগড়াছড়ি জেলা কমিটি গঠন: নেতৃত্বে- কিনাচাঁন ও শ্যামল ককবরক সংগীতের সংকট, সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খাগড়াছড়িতে ‘চিনি রাচাপমুং’ রাজস্থলীতে দুস্থদের মাঝে কোরবানির গোশত বিতরণ মানিকছড়ি মুসলিমপাড়া সড়কে ড্রেন সংকটে জনদুর্ভোগ কালবৈশাখীতে উপড়ে পড়া সেগুন গাছে আহত যুবক, আতঙ্কে পাঁচ পরিবার খাগড়াছড়িতে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে পবিত্র ঈদুল আযহার জামাত অনুষ্ঠিত ঈদ উপলক্ষে পানছড়িতে অসহায় পরিবারের পাশে ৩ বিজিবি মরিয়মনগর গরুর বাজারে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে আহত ৩ পাঁচ দিনের দুর্গম পথ পেরিয়ে সীমান্ত পাহারায় ৭ বিজিবি
Notice :

পাহাড়ি নারীরা এখনও ব্যবহার করছেন প্রথাগত বুনন ও পোশাক তৈরির প্রযুক্তি

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী, রাঙ্গামাটি ॥

পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নারী এখনও পাহাড়ি প্রথাগত প্রযুক্তি ব্যবহার করে পোশাক তৈরি করছেন। একসময় শিমুল গাছের তুলা থেকে চরকার মাধ্যমে সুতা তৈরি করা হতো, যা পরে রিনাই-রিনা, পিনন, খাদি ও থামি বুননের কাজে ব্যবহার হতো।

বর্তমানে শিমুল তুলার উৎপাদন কমে যাওয়ায় এবং সুতা তৈরির প্রথাগত পদ্ধতি সময়সাপেক্ষ হওয়ায়, পাহাড়ি নারীরা বাজার থেকে প্রস্তুত সুতা কিনে কাপড় বুনছেন।

বনরুপা বাজারে আসা পরানি মা জানান, “ঘরসংসার, সবজি চাষের ফাঁকে কোমর তাঁতে পিনন, খাদি, শীতের মাবলার ও চাদর তৈরি করে স্থানীয় বাজারের দোকানগুলোতে সরবরাহ করি। এতে সংসারের চাহিদা মেটানো সহজ হয়।”

আরেক বিক্রেতা চিচিকো মা বলেন, “পিনন, খাদি ও থামির চাহিদা পুরো বছর থাকে। তবে পহেলা বৈশাখ, সাংগ্রাই, বিসু ও বিহু উৎসবে চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তখন আমাদের লাভও বেশি হয়।”

ঢাকা থেকে আসা ক্রেতা সুমনো ত্রিপুরা জানান, “মিরপুরের দোকানের জন্য পাহাড়ি পোশাক কিনতে এসেছি। বনরুপা বাজারে সপ্তাহে বুধবার ও শনিবার বিভিন্ন এলাকা থেকে পাইকার ও খুচরা ক্রেতারা আসেন। পোশাকের দাম ৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার বেশি পর্যন্ত হয়ে থাকে। চাহিদা সবসময়ই থাকে।”

স্থানীয়দের মতে, এই পোশাক সাধারণত ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বেশি পড়া হয়। পাহাড়ি ঐতিহ্য ও নকশা দেশুবিদেশে কদর পায়। পাশের দেশ ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের পাহাড়ি অঞ্চলেও এই পোশাক পৌঁছায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *