March 6, 2026, 8:32 am
শিরোনাম :
মহালছড়িতে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে উপকারভোগীদের টেকনিক্যাল প্রশিক্ষণ বান্দরবানে অসহায়দের মাঝে সেনাবাহিনীর ইফতার সামগ্রী ও আর্থিক সহায়তা খাগড়াছড়িতে নারী দিবস ও স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে সনাকের প্রস্তুতি সভা খাগড়াছড়িতে গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী ও যন্ত্রশিল্পীদের অংশগ্রহণে চারদিনব্যাপী মিউজিক ক্যাম্প উদ্বোধন সাজেকে শতাধিক পরিবারের মাঝে বিজিবির ইফতার সামগ্রী বিতরণ খাগড়াছড়িতে প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সুবিমল চাকমাকে নিয়ে আলোচনা উখিয়ায় র‍্যাবের অভিযানে অস্ত্রসহ ৫ রোহিঙ্গা আটক পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে সাংবাদিকদের সহযোগিতা অপরিহার্য: পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান “দরিদ্র মানুষের অধিকারকে কেউ যেন সহমর্মিতা না ভাবেন” — সংসদ সদস্য সাচিংপ্রু জেরী খাগড়াছড়িতে খুচরা সার বিক্রেতাদের বহাল রাখার দাবিতে স্মারকলিপি গুইমারায় ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর আর্থিক সহায়তা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পানছড়িতে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবেলায় আলোচনা সভা বরকলে ১২ বিজিবির উদ্যোগে রমজানে এতিম ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের সহায়তা বিলাইছড়িতে বাজারে মোবাইল কোর্ট ও জরিমানা পার্বত্য মন্ত্রীর সঙ্গে তঞ্চঙ্গ্যা কল্যাণ সংস্থার সৌজন্য সাক্ষাৎ
Notice :

দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়ন থেকে জেলা পরিষদ সদস্য পদে মানোন্নয়নের দাবি খুশি বাবু তঞ্চঙ্গ্যার

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা, বিলাইছড়ি প্রতিনিধি।।

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়ন থেকে জেলা পরিষদ সদস্য পদে মানোন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মী খুশি বাবু তঞ্চঙ্গ্যা। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এক লিখিত বক্তব্যে তিনি এ দাবি তুলে ধরেন।

খুশি বাবু তঞ্চঙ্গ্যা গোয়াইনছড়ি এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি প্রয়াত কালেয়া তঞ্চঙ্গ্যার সন্তান, যিনি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। একই সঙ্গে তিনি প্রয়াত তেজেন্দ্র লাল তঞ্চঙ্গ্যার ভাতিজা—যিনি বিএনপির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

রাজনৈতিক জীবনে খুশি বাবু তঞ্চঙ্গ্যা ২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য, ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এবং ২০১৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ফারুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি ফারুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা বিএনপির সক্রিয় সদস্য।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, এযাবৎ ফারুয়া ইউনিয়ন থেকে কাউকে জেলা পরিষদের সদস্য পদে মানোন্নয়ন দেওয়া হয়নি। অথচ ইউনিয়নটি অত্যন্ত দুর্গম ও পশ্চাৎপদ। সদর উপজেলার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা এখনও দুর্বল। এলাকায় উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র নেই, বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক সুবিধাও সীমিত। জরুরি চিকিৎসাসেবার অভাবে রোগী পরিবহনে নানা ঝুঁকির মুখে পড়তে হয়।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, অতীতে বিভিন্ন সময় জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যরা দায়িত্ব পালন করলেও ফারুয়া ইউনিয়নের মৌলিক সমস্যা নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি।

খুশি বাবু তঞ্চঙ্গ্যা দাবি করেন, সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাঙ্গামাটি আসনে বিএনপি বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছে এবং ফারুয়া ইউনিয়ন থেকেও দলটি উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে দুর্গম ও অবহেলিত এই জনপদের উন্নয়নে ফারুয়া ইউনিয়নের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

তিনি কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে ফারুয়া ইউনিয়নের মতো দুর্গম এলাকার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, ফারুয়া ইউনিয়ন রাঙ্গামাটির অন্যতম দুর্গম এলাকা হিসেবে পরিচিত। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি—এলাকাটির সার্বিক উন্নয়নে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব জোরদার করা।