
খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলায় তাসলিমা আক্তার (কাজল) (৩০) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে উপজেলার ভোলাইয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নিজ ঘরের সিলিংয়ের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তাসলিমাকে দেখতে পান তাঁর পরিবারের সদস্যরা। পরে স্বজনদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে মানিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, ঘটনার আগে সকালে তাসলিমা আক্তার ও তাঁর স্বামী ইব্রাহীম খলিলের মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় তাঁদের মেয়েরা প্রথমে মায়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায় বলে জানা গেছে।
এদিকে নিহতের পরিবার দাবি করেছে, এটি আত্মহত্যা নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যা। তাসলিমার মা ফাতেমা বেগম ও বাবা আবদুর রহিম অভিযোগ করে বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে তাঁর স্বামী ইব্রাহীম খলিল স্ত্রীকে হত্যা করে পরে ঝুলিয়ে রেখেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে স্বামী ইব্রাহীম খলিলের বক্তব্য জানা যায়নি। তবে স্থানীয়দের কাছে তিনি দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি পাশের ঘরে নাশতা তৈরির কাজে ব্যস্ত ছিলেন।
মানিকছড়ি থানার ওসি (তদন্ত) মো. আল আমিন জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ দেখতে পায়। প্রাথমিকভাবে গলায় ফাঁসের আলামত পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।