শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাঘাইছড়িতে সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় ৫৭ রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা দীঘিনালায় অতিরিক্ত মজুদের অভিযোগে ২১ টন সার জব্দ বাল্যবিয়ের শিকার থেকে নির্যাতিত নারী-শিশুর পাশে সাজেদা রাজস্থলীতে গর্ভবতী নারী ও শিশুর স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রশিক্ষণ সমাপ্ত শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য স্থির রেখে এগিয়ে যেতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রী কাপ্তাইয়ে বিজিবির অভিযানে ২৮ লাখ টাকা জব্দ, আটক ২ খাগড়াছড়িতে বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত ৪০০ পরিবার পেল নগদ আর্থিক সহায়তা খাগড়াছড়িতে খোলা ভোজ্যতেল বিক্রি বন্ধে জেলা অ্যাডভোকেসি সভা বিদায়ের মঞ্চে অশ্রুসিক্ত মহালছড়ির শিক্ষকরা, সম্মান জানাল প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার সরকারি খরচে আইনগত সহায়তা প্রদানে বাঘাইছড়িতে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত দীঘিনালায় বন্যাদুর্গত ২৫০ পরিবারকে রেড ক্রিসেন্টের খাদ্য সহায়তা বাঘাইছড়ি এ্যাডমিনিস্ট্রেশন স্কুলে বিজ্ঞান ল্যাব ও লাইব্রেরি উদ্বোধন অসহায় বৃদ্ধার পাশে রাঙামাটি জেলা ছাত্রদল নেতা বান্দরবানে এসএসসি উত্তীর্ণ ১৬৮ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা লক্ষ্মীছড়িতে লজ্জাবতী বানর উদ্ধার দুর্গম পাহাড়ের ৬১ ছানি রোগীর চোখে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আলো

রাঙামাটিতে বন্য হাতির আক্রমণে নিহত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে টাকা প্রদান

Reporter Name

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী , রাঙামাটি

রাঙামাটির কাউখালী উপজেলায় গত ২০১৯ সালে বন্য হাতির আক্রমণে মেশি মারমা নামের এক নারী নিহতের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্যকে আবেদনের ভিত্তিতে তিন লাখ টাকার চেক প্রদান করেছে ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) সকালে ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগ রাঙামাটি বিভাগীয় কার্যালয়ে নিহত মেশি মারমার স্বামী পাইঅং মারমার নিকট তিন লাখ টাকার চেক প্রদান করেন, ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগ রাঙামাটির বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম কুদ্দুস ভূঁইয়া।

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলাম কুদ্দুস ভূঁইয়া বলেন, বন্য প্রাণী কোন কারণে লোকালয়ে আসলে  তাকে মারা বা আক্রমণ না করা। বন্য প্রাণীকে তার মত থাকতে দিতে হবে। এরপরও মানুষের জান-মালের ক্ষতি হলে ক্ষতিগ্রস্থকে সরকার ক্ষতিপূরণ দিয়ে তার ক্ষতি কিছুটা প্রশমন করে। মূল কথা হলো আপনি বন্য প্রাণীকে আক্রমণ না করলে বন্য প্রাণী আপনাকে আক্রমণ করবে না। আপনারা সব সময় বন্য প্রাণী থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখবেন। তাহলে আপনাদের জীবন রক্ষা পাবে। সম্পদের ক্ষতি হলে সরকার দিবে।

তিনি আরও বলেন, নতুন বিধিমালা অনুযায়ী বন্য প্রাণীর আক্রমণে কেউ মারা গেলে যথাযথ নিয়মে আবেদন করলে তার পরিবারকে তিন লাখ টাকা প্রদান করা হবে। এছাড়াও কেউ গুরুতর আহত হলে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা এবং বনাঞ্চলের বাহিরে বন্য প্রাণীর দ্বারা ফসল, ঘর-বাড়ি  ক্ষতিগস্থ এবং আক্রমণের শিকার হলে ক্ষতিগ্রস্থদের সর্বোচ্চ পঞ্চাশ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে।

রাঙামাটি ঝুম নিয়ন্ত্রণ বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মো. তবিবুর রহমান বলেন, সরকারি বনাঞ্চলের অভ্যন্তরে অনুমতি ছাড়া প্রবেশের ফলে কেউ আক্রান্ত হলে, কোন ব্যক্তি উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে কোন বন্য প্রাণীকে আঘাত বা অনুমতি ছাড়া অবৈধ ভাবে বন্য প্রাণী শিকার করার সময় আঘাত পেলে, বিদেশী নাগরিক হলে সীমান্তের ‘নো ম্যাসন ল্যান্ড এলাকায় আক্রান্ত হলে, সাফারী পার্কের ঝুঁকি ভাতা প্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী এ ক্ষতিপূরণ পাবে না।

এসময় কাউখালী উপজেলার খাশখালী রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল জলিল, সদর  রেন্স কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান চৌধুরী,  তিনকুনিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুর গফুর সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *