মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রামু কেন্দ্রীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা উপজেলা হাসপাতালে প্রতিনিয়ত বাড়ছে রোগী,কমছে বরাদ্দ ও জনবল খাগড়াছড়ি সীমান্তে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ করেছে বিজিবি রাঙ্গামাটি কোতয়ালী থানার বিশেষ অভিযানে ১১ গ্রেফতার ঢাকায় বসে শুধু নির্দেশনা দেওয়ার পক্ষে আমি নই; মাঠে ফিজিক্যালি প্রেজেন্ট থেকে পরিস্থিতি দেখে ব্যবস্থা নিতে চাই: পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু রাজস্থলীতে নজরুল বর্ষের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন দীঘিনালায় নজরুল বর্ষের উদ্বোধন, কবিতা-গানে মুখর অডিটোরিয়াম অনুপস্থিত থেকেও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর: নারায়ণগঞ্জ ভূমি অফিসের এ অনিয়মে ভূমি প্রতিমন্ত্রীর অসন্তোষ প্রকাশ বাঘাইছড়িতে পাহাড়ধসে বসতঘর বিধ্বস্ত, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে বিএনপি বরকলে ইউনিয়ন পরিষদের সেবা নিয়ে ভোগান্তি, অনিয়মের অভিযোগ বিলাইছড়িতে সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নজরুল বর্ষের উদ্বোধন পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও উন্নয়নে সেনাবাহিনীর বিভিন্ন উদ্যোগ সম্প্রীতির বান্দবান ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন কিংস অব বনরুপা খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ কোনো নির্দিষ্ট দল, গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের নয়: ম্রাসা থোয়াই মারমা মাটিরাঙ্গায় কৃষক কার্ড কার্যক্রম শুরু, তথ্য সংগ্রহ ১,৩৯৩ কৃষকের বান্দরবানে সীমান্ত সড়কে গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৩

পার্বত্য চট্টগ্রামে উৎসবের আমেজ: বিজুুসাংগ্রাইংুবৈসু উপলক্ষে প্রস্তুতি, বান্দরবানে কিছুটা শঙ্কা

Reporter Name

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা (বান্দরবান)।। 
বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িসহ বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ১১টি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসবকে ঘিরে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের কাছে ভিন্ন নামে পরিচিত এই ঐতিহ্যবাহী উৎসবটি দীর্ঘদিন ধরে অঞ্চলটির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

চাকমা সম্প্রদায়ের কাছে এটি ‘বিজু’, মারমা ও চাক সম্প্রদায়ের কাছে ‘সাংগ্রাইং’, ত্রিপুরাদের ‘বৈসু’, তঞ্চঙ্গ্যাদের ‘বিষু’, ম্রোদের ‘চাংক্রান’ এবং খেয়াংদের ‘সাংলান’ নামে পরিচিত। নাম ভিন্ন হলেও উৎসবের মূল চেতনা ও আনন্দ উদযাপনে রয়েছে অভিন্নতা।

প্রতি বছরের মতো এবারও পুরনো বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে বরণ করে নিতে নানা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। ইতোমধ্যে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির বিভিন্ন এলাকায় ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সামাজিক আয়োজন শুরু হয়েছে। গ্রামাঞ্চলজুড়ে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি।

আগামী ১২ এপ্রিল সকালে বিভিন্ন নদী ও খালে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন এবং ফুল নিবেদনের মধ্য দিয়ে জলবুদ্ধ ও গঙ্গাদেবীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর টানা তিন দিন ধরে চলবে নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম।

তবে বান্দরবানে এ বছরের সাংগ্রাইং উৎসব উদযাপনকে কেন্দ্র করে পুরনো ও নতুন কমিটির মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেওয়ায় কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে উৎসব উদযাপন হবে কিনা, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সংশয় রয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে দ্রুত সমাধান না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সকল মতবিরোধ কাটিয়ে উৎসবটি শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হবে এবং পার্বত্য অঞ্চলের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *