April 16, 2026, 9:12 am
শিরোনাম :
মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স…. পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান মারমা সম্প্রদায়ের রিঃ লং পোয়েঃ আকাজা, পাইংজারা ও মঙংছুং প্রদর্শনী দেখলেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার গরু ও ইয়াবা পাচারে বাধা: নাইক্ষ্যংছড়িতে যুবককে পিটিয়ে রক্তাক্ত, হাসপাতালে ভর্তি পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী কাবাডি ও বলি খেলা অনুষ্ঠিত নিজেই বিধ্বস্ত ২০ হাজার মানুষের চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রটি উৎসবমুখর পরিবেশে সাংগ্রাই ” এর মৈত্রী পানি বর্ষণে মেতে উঠেছিল বান্দরবান চিংম্রং বৌদ্ধ বিহারে সাংগ্রাঁই জল উৎসবে আনন্দে মাতোয়ারা হাজার দর্শক রাঙামাটিতে ৩৪তম নববর্ষ উদযাপন: শোভাযাত্রা ও পান্তা উৎসবে মুখর শহরবাসী নানা আয়োজনে বরকলে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন বরকলে ১২বিজিবির অভিযানে লক্ষাধিক টাকার সেগুন গোলকাঠ আটক খাগড়াছড়িতে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন ধর্মীয় মূল্যবোধই সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি… পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আলীকদমে সম্প্রীতি ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধন জাঁকজমকপূর্ণ বিষু মেলা উদযাপিত এপেক্স বাংলাদেশ মানব সেবায় কাজ করে যাচ্ছে: সাচিং প্রু জেরী খাগড়াছড়িতে বর্ণিল সাংগ্রাই: জলকেলিতে মাতোয়ারা মারমা সম্প্রদায়, পর্যটকদের ঢল আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রাজস্থলী উপজেলা প্রশাসন
Notice :

পার্বত্য চট্টগ্রামে উৎসবের আমেজ: বিজুুসাংগ্রাইংুবৈসু উপলক্ষে প্রস্তুতি, বান্দরবানে কিছুটা শঙ্কা

Reporter Name

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা (বান্দরবান)।। 
বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িসহ বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ১১টি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসবকে ঘিরে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের কাছে ভিন্ন নামে পরিচিত এই ঐতিহ্যবাহী উৎসবটি দীর্ঘদিন ধরে অঞ্চলটির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

চাকমা সম্প্রদায়ের কাছে এটি ‘বিজু’, মারমা ও চাক সম্প্রদায়ের কাছে ‘সাংগ্রাইং’, ত্রিপুরাদের ‘বৈসু’, তঞ্চঙ্গ্যাদের ‘বিষু’, ম্রোদের ‘চাংক্রান’ এবং খেয়াংদের ‘সাংলান’ নামে পরিচিত। নাম ভিন্ন হলেও উৎসবের মূল চেতনা ও আনন্দ উদযাপনে রয়েছে অভিন্নতা।

প্রতি বছরের মতো এবারও পুরনো বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে বরণ করে নিতে নানা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। ইতোমধ্যে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির বিভিন্ন এলাকায় ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং সামাজিক আয়োজন শুরু হয়েছে। গ্রামাঞ্চলজুড়ে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি।

আগামী ১২ এপ্রিল সকালে বিভিন্ন নদী ও খালে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন এবং ফুল নিবেদনের মধ্য দিয়ে জলবুদ্ধ ও গঙ্গাদেবীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর টানা তিন দিন ধরে চলবে নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম।

তবে বান্দরবানে এ বছরের সাংগ্রাইং উৎসব উদযাপনকে কেন্দ্র করে পুরনো ও নতুন কমিটির মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেওয়ায় কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে উৎসব উদযাপন হবে কিনা, তা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সংশয় রয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে দ্রুত সমাধান না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, সকল মতবিরোধ কাটিয়ে উৎসবটি শান্তিপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হবে এবং পার্বত্য অঞ্চলের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে।