
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, খাগড়াছড়ি কর্তৃক প্রকাশিত গবেষণাধর্মী গ্রন্থ “পাহাড়ের বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব সুরেন্দ্র লাল ত্রিপুরা”–এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও নির্বাহী পরিষদের সভাপতি শেফালিকা ত্রিপুরা।
খাগড়াছড়ি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক ঞ্যোহ্লা মং-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও ইনস্টিটিউটের আহ্বায়ক জয়া ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ পুলক বরন চাকমা, প্রাক্তন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাধন কুমার চাকমা, বাংলা একাডেমি পদকপ্রাপ্ত লেখক ও গবেষক প্রভাংশু ত্রিপুরা, চিটাগাং রাইটার্স ফোরামের সাবেক সভাপতি অংসুই মারমা, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদকপ্রাপ্ত লেখক ও গবেষক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা, লেখক মৃত্তিকা চাকমা ও শিশির চাকমাসহ বিশিষ্ট লেখক, গবেষক ও সাহিত্যিকরা।
ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিষদের সদস্য অভিধা চাকমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গ্রন্থটির সম্পাদক ও গবেষক মুকুল কান্তি ত্রিপুরা।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, সুরেন্দ্র লাল ত্রিপুরা পার্বত্য চট্টগ্রামের শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি ছিলেন একাধারে গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী, কবি, লেখক, গবেষক, সংগঠক ও সমাজসেবী। ভাষা, সাহিত্য, সঙ্গীত ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তাঁর অবদান পাহাড়ি সমাজের ইতিহাসে অনন্য।
বক্তারা আরও বলেন, গবেষক মুকুল কান্তি ত্রিপুরার প্রণীত এই গ্রন্থে সুরেন্দ্র লাল ত্রিপুরার জীবন, সাহিত্যকর্ম, সঙ্গীতচর্চা, সাংগঠনিক ভূমিকা ও সমাজচিন্তার বিস্তৃত বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে। গ্রন্থটি প্রকাশের মাধ্যমে পাহাড়ের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চায় অনুপ্রেরণা পাবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।