April 16, 2026, 4:18 pm
শিরোনাম :
সীমান্তে ৩৪ বিজিবির মানবিক উদ্যোগ: ঘুমধুমে চিকিৎসা সেবা, অনুদান ও উপহার বিতরণ দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর সহায়তা কার্যক্রম: বদলাচ্ছে অসহায়দের জীবন লামায় মাতামুহুরী নদীতে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু রাজস্থলী তাইতংপাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নই সরকারের অগ্রাধিকার: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল পাহাড়ের দুর্গম জনপদ সিন্দুকছড়ি সেনাবাহিনী জোনের মানবিক স্বাস্থ্যসেবা; বিনামূল্যে চিকিৎসা পেল দেড় সহস্রাধিক মানুষ মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স…. পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান মারমা সম্প্রদায়ের রিঃ লং পোয়েঃ আকাজা, পাইংজারা ও মঙংছুং প্রদর্শনী দেখলেন খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার গরু ও ইয়াবা পাচারে বাধা: নাইক্ষ্যংছড়িতে যুবককে পিটিয়ে রক্তাক্ত, হাসপাতালে ভর্তি পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী কাবাডি ও বলি খেলা অনুষ্ঠিত নিজেই বিধ্বস্ত ২০ হাজার মানুষের চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রটি উৎসবমুখর পরিবেশে সাংগ্রাই ” এর মৈত্রী পানি বর্ষণে মেতে উঠেছিল বান্দরবান চিংম্রং বৌদ্ধ বিহারে সাংগ্রাঁই জল উৎসবে আনন্দে মাতোয়ারা হাজার দর্শক রাঙামাটিতে ৩৪তম নববর্ষ উদযাপন: শোভাযাত্রা ও পান্তা উৎসবে মুখর শহরবাসী নানা আয়োজনে বরকলে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন বরকলে ১২বিজিবির অভিযানে লক্ষাধিক টাকার সেগুন গোলকাঠ আটক
Notice :

দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর সহায়তা কার্যক্রম: বদলাচ্ছে অসহায়দের জীবন

Reporter Name

মোঃ হাচান আল মামুন, দীঘিনালা প্রতিনিধি

খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মানবিক উদ্যোগে অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। স্থানীয়দের জীবনমান উন্নয়নে এ উদ্যোগকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে দীঘিনালা সেনা জোনে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আল-আমিন। এ সময় উপ-অধিনায়ক মেজর শিহাবুন সাকিব রূশাদ, পিএসসি-সহ অন্যান্য সেনা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে কয়েকটি অসচ্ছল পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি একটি পরিবারকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে সেলাই মেশিন এবং পাঁচটি পরিবারকে দুটি করে ছাগল দেওয়া হয়। এছাড়া চারটি মাদ্রাসায় জিরা এবং একটি চার্চে বাদ্যযন্ত্র বিতরণ করা হয়, যা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ সময় লেফটেন্যান্ট কর্নেল আল-আমিন বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময়ই জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহমর্মিতা বজায় রাখতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

সহায়তা পেয়ে উপকারভোগীরা সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, এ সহায়তা তাদের আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পথে গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক হবে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সেনাবাহিনীর এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের সঙ্গে আস্থা ও সৌহার্দ্যের সম্পর্ক আরও জোরদার করবে এবং পার্বত্য এলাকায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।