
পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বান্দরবান জেলায় পাঁচটি অবৈধ ইটভাটা মালিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। রোববার (১ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও স্পেশাল পরিবেশ আদালতের পেশকার মাহবুব কাদের।
সূত্র আরও জানায়, এর আগে একাধিকবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কয়েকটি ইটভাটাকে অর্থদণ্ড প্রদান এবং বুলডোজার ও স্কেভেটর দিয়ে ভেঙে দেওয়া হলেও অনেক ভাটা পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি।
পরিবেশ অধিদপ্তরের দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পাঁচটি মামলায় মোট আটজন ইটভাটা মালিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা হলেন—
থানচি উপজেলার এমএসবি ইটভাটার মালিক আনিসুর রহমান সুজন (মামলা নং ০৩/২৬),
আলীকদম উপজেলার এবিএম ইটভাটার মালিক সামছুদ্দিন ও এখলাচুর রহমান (মামলা নং ০৫/২৬),
ইউবিএম ইটভাটার মালিক জামাল উদ্দিন (মামলা নং ০৪/২৬),
এফবিএম ইটভাটার মালিক শওকত তালুকদার (মামলা নং ০২/২৬)
এবং নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বিবিএম ইটভাটার মালিক মোহাম্মদ আবু ছৈয়দ, আবুল বশর ও ফরিদ আহমদ (মামলা নং ০১/২৬)।
পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে দায়ের করা এসব মামলায় বান্দরবান সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও স্পেশাল পরিবেশ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনোয়ার হোসেন গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আদেশ দেন।
এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. রেজাউল করিম জানান, অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে প্রশাসনের সহযোগিতায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ৮০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে এবং আটটি ইটভাটার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
অন্যদিকে আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনজুর আলম জানান, অবৈধ ইটভাটা মালিকদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়টি তাঁর জানা ছিল না। এ বিষয়ে পুলিশের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।