April 18, 2026, 6:43 am
শিরোনাম :
রামু এ.কে. আজাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে পুরস্কার বিতরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামে এক দৃঢ় নারী নেতৃত্ব কুহেলী দেওয়ান বরকলের সীমান্তবর্তী বড় হরিনায় ১২ বিজিবির জনসচেতনতামূলক সভা রাঙ্গামাটিতে পানিখেলায় মারমা তরুণ-তরুণীদের উচ্ছাস কাপ্তাইয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত রাঙামাটিতে যুবনেতা ধর্মশিং চাকমা হত্যা: ইউপিডিএফ’র নিন্দা ও প্রতিবাদ রাঙামাটিতে যুবনেতা ধর্মশিং চাকমা গুলিতে নিহত, নিন্দা ও প্রতিবাদ ডিওয়াইএফের নাইল্যাছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা রাঙ্গুনিয়ায় পৃথক তিন ঘটনায় তিন নারী গ্রেফতার সীমান্তে ৩৪ বিজিবির মানবিক উদ্যোগ: ঘুমধুমে চিকিৎসা সেবা, অনুদান ও উপহার বিতরণ দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর সহায়তা কার্যক্রম: বদলাচ্ছে অসহায়দের জীবন লামায় মাতামুহুরী নদীতে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু রাজস্থলী তাইতংপাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নই সরকারের অগ্রাধিকার: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল পাহাড়ের দুর্গম জনপদ সিন্দুকছড়ি সেনাবাহিনী জোনের মানবিক স্বাস্থ্যসেবা; বিনামূল্যে চিকিৎসা পেল দেড় সহস্রাধিক মানুষ মাটিরাঙ্গার আমতলীতে বর্ণিল আয়োজনে বুইসুক উৎসব পালিত
Notice :

ঘুমধুমে এলজিইডির সড়ক সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ নিম্নমানের খোয়া ও পাহাড়ি মাটি ব্যবহারে ক্ষোভ স্থানীয়দের

Reporter Name

আবদুর রশিদ, নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান):

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নে এলজিইডির সড়ক সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বাইশপাড়ি সীমান্ত সড়ক থেকে রেজু আমতলি পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার কাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চৌধুরী অ্যান্ড ব্রাদার্স-এর বিরুদ্ধে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্ধারিত মান বজায় না রেখে নিম্নমানের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, যেখানে বালু ব্যবহারের কথা সেখানে সরাসরি পাহাড়ি মাটি দিয়ে কাজ চালিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর অর্থায়নে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটির সংস্কার কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তবে কাজের গুণগত মান নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন উঠেছে।

এলাকাবাসীর দাবি, নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহারের কারণে সড়কটি বর্ষা মৌসুমে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে সরকারি অর্থ অপচয়ের পাশাপাশি জনদুর্ভোগ বাড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

স্থানীয়রা আরও জানান, কাজের তদারকির ঘাটতি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অনিয়ম করার সুযোগ পাচ্ছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

তাদের ভাষ্য, সীমান্ত এলাকার গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি মানসম্মতভাবে নির্মাণ না হলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় মারাত্মক প্রভাব পড়বে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

এ বিষয়ে ঠিকাদার আবুবক্করের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। কাজের মান যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”