মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজস্থলীতে কারিতাসের উদ্যোগে উৎপাদক ও ভোক্তা বৃদ্ধি বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত রাজস্থলীতে কারিতাসের উদ্যোগে উৎপাদক ও ভোক্তা বৃদ্ধি বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত  বহু বছর পর ফিরে পেলেন দৃষ্টিশক্তি: মহালছড়ি জোনের উদ্যোগে ৭৬ জনের ছানি অপারেশন ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিক হেনস্তার অভিযোগ, তদন্তের দাবি বাঘাইছড়িতে বিজিবির অভিযানে অবৈধ সেগুন কাঠবোঝাই দুই জিপ জব্দ থানচিতে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত সাংবাদিক জীতেন বড়ুয়ার মুক্তির দাবিতে রাঙ্গামাটিতে মানববন্ধন রাঙ্গামাটিতে দীপেন দেওয়ানের পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন রাঙামাটিতে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, যুবলীগ-আওয়ামী লীগ নেতাসহ আটক ২০ রামুতে পারিবারিক বিরোধে ছেলের গুলিতে বাবা নিহত, এলাকায় চাঞ্চল্য কুরাং পাড়া ও কুরাং বাজারে সোলার চালিত পানি প্রকল্পে স্বস্তি ফিরেছে শতাধিক পরিবারে বান্দরবানের বালাঘাটায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের বিএনপির মানবিক সহায়তা নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস উপলক্ষে মহালছড়িতে আলোচনা সভা ও স্বাস্থ্য ক্যাম্প কাপ্তাইয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার আসছেন ১৩ জুন দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়ায় গভীর রাতে ডাকাতি: একজন গ্রেপ্তার, লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার হয়নি
Notice :

ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা পেল ৩০০ ক্রীড়াবিদ, পার্বত্য অঞ্চলের ৭ জনও তালিকায়

Reporter Name

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা সংবাদদাতা।।
ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা—এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ক্রীড়াবিদদের জন্য ক্রীড়া কার্ড ও মাসিক ভাতা প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। গত ৩০ মার্চ ২০২৬ রাজধানীর শাপলা হলে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ক্রীড়া কার্ড বিতরণের প্রথম ধাপে ১২৯ জন ক্রীড়াবিদের হাতে কার্ড তুলে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ১৯ এপ্রিল ২০২৬ জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) অডিটোরিয়ামে দ্বিতীয় ধাপে আরও ১৭১ জন খেলোয়াড়কে ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদান করা হয়। দুই ধাপে মোট ৩০০ জন ক্রীড়াবিদ এই সুবিধার আওতায় আসেন।

এদের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের সাতজন ক্রীড়াবিদও রয়েছেন। কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ দীর্ঘদিন ধরে জিমন্যাস্টিকস ও টেবিল টেনিসে জাতীয় পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে আসছে।

ক্রীড়া কার্ড বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। র‌্যাংকিংয়ের ভিত্তিতে নির্বাচিত ক্রীড়াবিদরা এই কার্ডের মাধ্যমে মাসিক এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্রীড়া ভাতা পাচ্ছেন বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

২০১২ সালে বাংলাদেশ জিমন্যাস্টিকস ফেডারেশনের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটিতে “আমরা পারি জিমন্যাস্টিকস” কার্যক্রম শুরু হয়। শুরু থেকেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক কোচদের তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

প্রতিষ্ঠানটি গত এক যুগে বিভিন্ন জাতীয় প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ২১৮টি স্বর্ণসহ মোট ৫৫৬টি পদক অর্জন করেছে বলে জানানো হয়।

থানচির জুমচাষি পরিবারের সন্তান উহাইমং মার্মা ২০১৩ সাল থেকে জিমন্যাস্টিকস চর্চা শুরু করেন এবং বর্তমানে জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে আছেন।

রাজীব চাকমা সূচনা শ্রেণি থেকে পড়াশোনা শুরু করে পরে জিমন্যাস্টিকসে যুক্ত হন। বর্তমানে তিনি জাতীয় দলের ক্রীড়াবিদ হিসেবে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন।

রাঙামাটির নিঝুম খীসা স্কুল পর্যায় থেকেই জিমন্যাস্টিকসে যুক্ত হয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণ করেছেন।

সাংখেঅং খুমী কিতং শৈশব থেকেই জিমন্যাস্টিকস অনুশীলন শুরু করেন এবং পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।

কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজে ২০২৫ সালের ৩০ আগস্ট টেবিল টেনিস একাডেমি ভবন উদ্বোধন করা হয়। প্রতিষ্ঠানের খেলোয়াড়রা ২০১৬ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত জাতীয় স্কুল ও মাদ্রাসা ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিকভাবে সাফল্য অর্জন করে আসছে।

রাঙামাটির খই খই সাই মার্মা বর্তমানে জাতীয় পর্যায়ের শীর্ষ টেবিল টেনিস খেলোয়াড়দের একজন হিসেবে পরিচিত।

এছাড়া ভলিবলেও প্রতিষ্ঠানটির ছেলে-মেয়েরা আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য অর্জন করছে। মৌমৌ খই মার্মা জাতীয় নারী ভলিবল দলের সদস্য হিসেবে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ক্রীড়াবিদদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে দেশের ক্রীড়া অঙ্গনে আরও প্রতিভাবান খেলোয়াড় উঠে আসবে। ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা কার্যক্রমকে দেশের ক্রীড়া উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *