মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঘুমধুম সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিন বাগানচাষী নিহত, ডিমাইনিংয়ের দাবি ইউপিডিএফের সাজেকে বজ্রপাতে তিন মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু, আহত ৫ মানিকছড়িতে খাল খনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে পাঁচটি ঘাট নির্মাণ, ২ কোটি ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ থানচিতে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে কিশোর আটক, থানার সামনে জনতার বিক্ষোভ ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা পেল ৩০০ ক্রীড়াবিদ, পার্বত্য অঞ্চলের ৭ জনও তালিকায় নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে তিন বাংলাদেশি নিহত শিশু রামিসা হত্যার প্রতিবাদে বান্দরবানে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ, নিরাপত্তা জোরদারের দাবি রাজস্থলীতে কোরবানির পশু জবাই ও চামড়া ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত রাজস্থলীতে জীববৈচিত্র‍্য ব্যবস্থাপনা কমিটির সক্রিয়করণ সভা অনুষ্ঠিত লামায় সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজি চালকের মৃত্যু, আহত ৫ যাত্রী বান্দরবানে হিফজুল কোরআন মাদ্রাসার বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত কাপ্তাইয়ে জমজমাট কোরবানির পশুর হাট বাঘাইছড়িতে বিজিবির শিক্ষা উপকরণ ও মানবিক সহায়তা বিতরণ নাইক্ষ্যংছড়িতে স্থলমাইন বিস্ফোরণে ৩ শ্রমিক নিহত পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি’র সাথে আইএলও-এর প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পরিবার নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য: রাজস্থলীতে হেফাজত নেতা আটক
Notice :

সঠিক সময়ে কাপ্তাই হ্রদের পানি না কমায় বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের ১৩হাজার কৃষক

মো.গোলামুর রহমান, লংগদু 

মো.গোলামুর রহমান, লংগদু

সঠিক সময়ে রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই হ্রদের পানি না কমায় বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের হাজারো কৃষক। জলে ভাসা কৃষি জমি গুলো পানিতে ডুবে থাকায় যথা সময়ে বোরো ধানের আবাদ করতে না পেরে হতাশ লংগদু উপজেলার প্রায় ১৩ হাজারের অধিক কৃষক।

 

সরেজমিনে লংগদু উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, যে সকল জায়গায় পৌষ মাসে জলে ভাসা জমিন গুলোতে বোরো ধানের আবাদ শুরু হতো, ঐসব জমিতে এখনো ভরপুর পানি ঢেউ খেলছে। এতে করে আগামী বছর খাদ্য সংকটে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছ অত্র উপজেলার হাজারো পরিবারের।

 

লেকের ভাসমান জমিতে চাষ করা কৃষক আবুল হোসেন, আব্দুর রহিম, জাফর সহ অনেকেই বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে এসব জমিতে ধান সহ মৌসুমি চাষাবাদ করে আসছি আমরা। কিন্তু এবছর পানি না কমিয়ে কাপ্তাই বাঁধ বন্ধ করে রেখেছে সরকার, এতে করে আমার মত হাজারো কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

 

উপজেলার ভাসান্যদম, বগাচতর,গুলশাখালী কালাপাকুজ্জা, লংগদু সদর ইউনিয়ন, মাইনী ইউনিয়নের জলে ভাসা জমিন চাষীরা ইতিমধ্য ধানের বীজ রোপন করেছে। আগামী  ১৫ দিনের মধ্যে পুরো পানি কমে না গেলে চাষাবাদ করতে পারবেনা বলে জানান তারা।

 

লংগদু উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্যান তত্ত্ববিদ রতন কার চৌধুরি বলেন, লংহদু উপজেলা ৮ হাজর হেক্টর কৃষি জমি রয়েছে। তার মধ্যে সাড়ে ৬হাজার হেক্টর কৃষি জমি জলে ভাসা। এখানে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজারের অধিক কৃষক রয়েছে। এবছর যে হারে পানি কমছে এতে করে সঠিক সময়ে  মৌসুমি ধান বা অন্যান্য ফসল করতে পারবেনা কৃষকরা। তাই এমাসের মধ্যে পানি কমালে কৃষকরা বাঁচবে।

 

এবিষয়ে লংগদু উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহাঙ্গীর হোসাইন জানান, কৃষকদের কথা চিন্তা করে আমরা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে জেলা প্রশাসককে জনাবো, যাতে কৃষকদের কথা চিন্তা করে দ্রুত সময়ে কাপ্তাই বাঁধ দিয়ে পানি ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

এই বিষয়ে পিডিপি’র ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান এর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান, গত কিছুদিন আগে একটি মিটিং হয়েছিলো,আগামী নির্বাচন পর্যন্ত পানি না কমানোর জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। কৃষি জমি তলিয়ে থাকলে কৃষকরা খাদ্য সংকটে পড়বে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আসলে আমাদের লেভেলে পানি রাখার কথা তার চাইতে আরো পাঁচ ফিট পানি কম আছে।  হয়তো যারা জমি চাষ করছে লেকে চলেগেছেন।  তবে পানি কমানো বা  বাঁধের পানি ছেড়ে দেওয়ার কোন কথা তিনি জানায়নি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *