
ঈদগাঁও উপজেলার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছেছে। ঈদগাহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে স্থাপিত কন্ট্রোল রুম থেকে বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে এসব সরঞ্জাম পাঠানো শুরু হয়।
নির্বাচনী সরঞ্জাম পরিবহন ও সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মীর কামরুজ্জামান কবির। তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৩৬টি। এসব কেন্দ্রে ভোটকক্ষের সংখ্যা ২১৬টি। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে মোট ৬৮৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়া ১৬টি অস্থায়ী ভোটকক্ষ প্রস্তুত করা হয়েছে।
ইউএনও আরও জানান, নির্বাচনী দায়িত্বে দুইজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকবেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র্যাব, সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও আনসারসহ সাত শতাধিক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে বিজিবি ও সেনাবাহিনীর পাঁচটি করে প্লাটুন দায়িত্ব পালন করবে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ৩৬টি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়ন পর্যবেক্ষণে ছয়টি ড্রোন ব্যবহার করা হবে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশিক্ষিত অতিরিক্ত পাঁচ শতাংশ জনবল প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি। ইউএনওর মতে, উপজেলায় মোট ১৫টি কেন্দ্রকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম শিফাতুল মাজদার জানান, নির্বাচনে পুলিশের ১০৩ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)-এর সদস্য আলকাশ আহমদ জানান, নির্বাচনে মোট ২৯টি স্ট্রাইকিং ফোর্স দায়িত্বে থাকবে। এছাড়া এনএসআই, ডিজিএফআই, ডিএসবি, এসবি, আর্মি ইন্টেলিজেন্স ও বিজিবি ইন্টেলিজেন্সসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ভোটগ্রহণ ও গণনা কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন।
এদিকে ইসলামাবাদ ইউনিয়নের গজালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ উজ্জ্বল হোসেন জানান, বুধবার দুপুর একটার দিকে তিনি নির্বাচনী সরঞ্জাম বুঝে নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কেন্দ্রে পৌঁছান।
উল্লেখ্য, এবারে ঈদগাঁও উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ৯৯ হাজার ৪১১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৫৩ হাজার ৭৩৩ জন এবং নারী ভোটার ৪৫ হাজার ৬৭৮ জন।