বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কাপ্তাইয়ে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালনে র‍্যালি ও আলোচনা সভা নানিয়ারচর লঞ্চঘাটে দখল ও প্রতিবন্ধকতা, ভোগান্তিতে যাত্রী-ব্যবসায়ীরা বিলাইছড়িতে ২৮ অক্টোবর থেকে কঠিন চীবর দান, চলবে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত খাগড়াছড়িতে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত, দুর্ঘটনা কমাতে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও সতর্কতা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ লামায় বন কর্মকর্তাদের নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ, আইনগত পদক্ষেপের কথা খাগড়াছড়িতে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দল গঠন শুরু নজরুল বর্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ মহালছড়ি সেনাবাহিনী জোনের উদ্যোগে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত প্রবারণা পূর্ণিমায় ফানুসবাতিতে আলোকিত রাতের আকাশ; পাহাড়ে বইছে উৎসবের আমেজ শান্তিনগর একতা ক্লাবের উদ্যোগে নাইট মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন নানিয়ারচরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত প্রয়াণের ১৮ বছরেও জন্মস্থানে নির্মিত হয়নি রাজগুরু অগ্রবংশ মহাথেরোর ভাস্কর্য, বৌদ্ধ সমাজে ক্ষোভ লামায় হঠাৎ বজ্রপাতে শিশুসহ নিহত ২, আহত ২ নানিয়ারচরে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ১৬ নারীকে সেলাই প্রশিক্ষণ দীঘিনালায় কঠিন চীবর দানোৎসব ঘিরে বিজিবির নিরাপত্তা সভা, বিহারগুলোতে অনুদান

নানিয়ারচর লঞ্চঘাটে দখল ও প্রতিবন্ধকতা, ভোগান্তিতে যাত্রী-ব্যবসায়ীরা

Reporter Name

নানিয়ারচর প্রতিনিধি।।
রাঙামাটির নানিয়ারচর লঞ্চঘাটে কাপ্তাই লেকের পাড়ের বিভিন্ন অংশে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ এবং ইট, গাছসহ বিভিন্ন সামগ্রী স্তূপ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এতে নৌযান ভেড়ানো, কৃষিপণ্য ওঠানামা ও যাত্রীদের নিরাপদ চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও বোটচালকেরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘাটের দুই পাশের সিঁড়ির মাঝখানের বিভিন্ন অংশে ঘর নির্মাণ ও মালামাল রাখায় নৌযান ভেড়ানোর জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ফলে দূরবর্তী পাহাড়ি এলাকা থেকে নৌকা ও বোটে করে সবজি, কৃষিপণ্যসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে আসা কৃষক ও ব্যবসায়ীদের পণ্য ওঠানামায় সময় বেশি লাগছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে নৌযান নিরাপদে ঘাটে ভেড়ানোও কঠিন হয়ে পড়ছে।

এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন অসুস্থ রোগী, শিক্ষার্থী, নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীরা। স্থানীয়দের ভাষ্য, ঘাটে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় অসুস্থ রোগীদের নৌযান থেকে নামানো এবং যাত্রীদের ওঠানামায় ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে যাত্রীদের এক নৌযান থেকে অন্য নৌযানে পার হয়ে ঘাটে উঠতে হচ্ছে। এতে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও বোটচালকেরা জানান, নানিয়ারচর লঞ্চঘাট দূরবর্তী পাহাড়ি এলাকার মানুষের যাতায়াত এবং কৃষিপণ্য পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ঘাটের জায়গা সংকুচিত হওয়ায় স্বাভাবিক নৌযান চলাচল ও পণ্য পরিবহনে বিঘ্ন ঘটছে। তাঁদের দাবি, ঘাটের সর্বসাধারণের ব্যবহারের জায়গা উন্মুক্ত রাখতে হবে এবং সেখানে কোনো অবৈধ দখল বা প্রতিবন্ধকতা থাকলে তা অপসারণ করতে হবে।

এ বিষয়ে নানিয়ারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাপ্পি চাকমা বলেন, লঞ্চঘাটের জায়গা দখল ও নৌযান ভেড়ানোর ক্ষেত্রে সৃষ্ট দুর্ভোগ নিয়ে অনেকে তাঁর কাছে অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য তিনি প্রশাসনকে অবহিত করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর পেয়ারা বেগম বলেন, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রাথমিকভাবে আলটিমেটাম দেওয়া হবে। তাঁরা নির্দেশনা না মানলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, প্রশাসন দ্রুত সরেজমিনে পরিস্থিতি পরিদর্শন করে ঘাটের জায়গা দখলমুক্ত ও প্রতিবন্ধকতা দূর করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। এতে নৌযান ভেড়ানো, কৃষিপণ্য পরিবহন এবং যাত্রীদের নিরাপদ ওঠানামা নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন তাঁরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *