November 7, 2026, 4:06 pm
শিরোনাম :
খাগড়াছড়িতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত, আলোচনা সভা-শোভাযাত্রা ও প্রীতি ফুটবল ম্যাচ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বরকল উপজেলা বি এনপির বর্ণাঢ্য র্যালি মহালছড়িতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ উদযাপন কাপ্তাইয়ে জাতীয় যুব দিবসের সপ্তাহব্যাপী আয়োজনের সমাপনী মাটিরাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন পানছড়িতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রামগড় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী শামীমকে প্রেস ক্লাবের বিদায়ী সংবর্ধনা আলীকদমে পাহাড় ও কৃষিজমির মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়, ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পরিবেশ অধিদপ্তরের জাতীয় মহাসমাবেশে যোগ দিতে ঈদগাঁও থেকে ঢাকায় ৩৫ গ্রাম পুলিশ খাগড়াছড়িতে শুরু নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা

আলীকদমে পাহাড় ও কৃষিজমির মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়, ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস পরিবেশ অধিদপ্তরের

Reporter Name

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা প্রতিনিধি।।
বান্দরবানের আলীকদম উপজেলার চারা বটতলী এলাকায় এবিএম (অইগ) ব্রিকফিল্ডের জন্য ইট তৈরির কাঁচামাল হিসেবে পাহাড় ও কৃষিজমি থেকে মাটি সংগ্রহ ও মজুতের প্রস্তুতি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই এ কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় এক বাসিন্দার অভিযোগ, ব্রিকফিল্ড স্থাপন ও পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন না থাকলেও ইট তৈরির কাঁচামাল হিসেবে বিভিন্ন স্থান থেকে মাটি সংগ্রহ ও মজুত করা হচ্ছে। বিশেষ করে পাহাড় ও কৃষিজমি থেকে মাটি কাটা হলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি কৃষিজমির উপরিভাগের উর্বর মাটি অপসারণের কারণে উৎপাদনশীলতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ওই বাসিন্দা বলেন, প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়া কীভাবে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে কারও যোগসাজশ বা প্রশ্রয় রয়েছে কি না, সেটিও তদন্তের দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে বান্দরবান পরিবেশ অধিদপ্তরের এক পরিদর্শক জানান, এবিএম ব্রিকফিল্ড স্থাপন বা পরিচালনার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে কোনো অনুমতি দেওয়া হয়নি। অবৈধভাবে পাহাড় ও কৃষিজমি থেকে মাটি সংগ্রহের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন না থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরও কীভাবে ব্রিকফিল্ডের প্রস্তুতি ও মাটি মজুতের কার্যক্রম চলছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাঁদের দাবি, সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে মাটি সংগ্রহের উৎস, ব্রিকফিল্ডের বৈধতা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

স্থানীয়দের মতে, পাহাড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও কৃষিজমির উর্বরতা রক্ষায় অবৈধভাবে মাটি সংগ্রহ ও পরিবহন বন্ধে প্রশাসন এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা