April 15, 2026, 9:09 pm
শিরোনাম :
গরু ও ইয়াবা পাচারে বাধা: নাইক্ষ্যংছড়িতে যুবককে পিটিয়ে রক্তাক্ত, হাসপাতালে ভর্তি পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী কাবাডি ও বলি খেলা অনুষ্ঠিত নিজেই বিধ্বস্ত ২০ হাজার মানুষের চিকিৎসা সেবা কেন্দ্রটি উৎসবমুখর পরিবেশে সাংগ্রাই ” এর মৈত্রী পানি বর্ষণে মেতে উঠেছিল বান্দরবান চিংম্রং বৌদ্ধ বিহারে সাংগ্রাঁই জল উৎসবে আনন্দে মাতোয়ারা হাজার দর্শক রাঙামাটিতে ৩৪তম নববর্ষ উদযাপন: শোভাযাত্রা ও পান্তা উৎসবে মুখর শহরবাসী নানা আয়োজনে বরকলে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন বরকলে ১২বিজিবির অভিযানে লক্ষাধিক টাকার সেগুন গোলকাঠ আটক খাগড়াছড়িতে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন ধর্মীয় মূল্যবোধই সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি… পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আলীকদমে সম্প্রীতি ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধন জাঁকজমকপূর্ণ বিষু মেলা উদযাপিত এপেক্স বাংলাদেশ মানব সেবায় কাজ করে যাচ্ছে: সাচিং প্রু জেরী খাগড়াছড়িতে বর্ণিল সাংগ্রাই: জলকেলিতে মাতোয়ারা মারমা সম্প্রদায়, পর্যটকদের ঢল আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রাজস্থলী উপজেলা প্রশাসন আগুণে ঘর পুড়ে যাওয়া বৃদ্ধার পাশে সেনাবাহিনীর কাপ্তাই জোন রাজস্থলীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নতুন বছরকে বরণ
Notice :

এখন থেকে আর বৈসাবি নয়, স্ব-স্ব নামে উদযাপিত হবে পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব—পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

Reporter Name

নিজস্ব প্রতিবেদক::

পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান ও চাংলান উপলক্ষে আজ ১২ এপ্রিল ২০২৬ খ্রি. সকালে রাজধানী ঢাকায় এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। র‍্যালিটি বেইলি রোডের পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স থেকে শুরু হয়ে রমনা পার্কের লেকে ‘বিজু ফুল’ সমর্পণের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জনাব মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান এমপি বলেন, বিগত সরকার বৈসাবি নামকরণের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিসত্ত্বা সম্প্রদায়ের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করে রেখেছিল। মন্ত্রী বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কোনো বৈষম্য চায় না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী, এখন থেকে প্রতিটি জাতিগোষ্ঠী সম্প্রদায় তাদের স্ব-স্ব উৎসবের নামে নিজ নিজ সংস্কৃতি নির্বিঘ্নে পালন করবে। মন্ত্রী বলেন, এখন থেকে আর বৈসাবি নয়, স্ব-স্ব নামে উদযাপিত হবে পাহড়ের ঐতিহ্যবাহী এসব সামাজিক উৎসব। বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান ও চাংলান–সবগুলো উৎসবই এখন থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সমান সম্মান পাবে বলে জানান মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান এমপি।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি আরও যোগ করে বলেন, আমাদের প্রত্যয় হলো বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়া। সমতল ও পাহাড়ের মানুষের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। আজকের এই উৎসব পাহাড়ি-বাঙালি ঐক্যের প্রতীক।

এ উৎসবের বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জনাব মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনকে ধারণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ যে রংধনু জাতি গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, এই র‍্যালিতে তারই প্রতিফলন ঘটছে। সবার আগে বাংলাদেশ- এই নীতি ধারণ করে আমরা সম্প্রীতি ও উন্নতির পথে এগিয়ে যাব।

র‍্যালিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ঢাকায় বসবাসরত তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও সাজে অংশগ্রহণ করেন। পাহাড়ি-বাঙালি জনগোষ্ঠী এক আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যে অনুষ্ঠানের এ মুহূর্তগুলো উপভোগ করেছে। র‍্যালি শেষে রমনা পার্কের লেকে ফুল ভাসানোর মাধ্যমে উৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।