বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সংগ্রাম; নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার বাতিঘর হয়ে থাকবে… ওয়াদুদ ভূঁইয়া এমপি আগামী বাজেটে বড়ুয়া সম্প্রদায়ের উন্নয়নে বরাদ্ধের দাবিতে রাঙামাটিতে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান বজ্রপাতে ঘর পুড়ে যাওয়া লংগদুর কৃষক পরিবারকে বিজিবির সহায়তা গুইমারার জালিয়াপাড়া বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুই দোকানসহ ব্যাপক ক্ষতি, ফায়ার স্টেশন না থাকায় ক্ষোভ মহালছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযান, সশস্ত্র গোষ্ঠীর অস্থায়ী ঘাঁটি ধ্বংস কর্ণফুলীতে নৌকাডুবিতে নিখোঁজ নববধূর পরিবারের পাশে প্রশাসন ও স্থানীয় সংসদ সদস্য কক্সবাজারে ইসলামী ব্যাংকের সামনে গ্রাহকদের মানববন্ধন, স্বচ্ছতা ও আমানত সুরক্ষার দাবি নাইক্ষ্যংছড়ি-রামু সড়কে সিএনজি ভাড়া নির্ধারণে মতবিনিময় সভা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে আশ্বাস ঈদগাঁওতে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধে ছুরিকাঘাতে কিশোর নিহত, অভিযুক্তসহ তিনজন আটক মাইন বিস্ফোরণে নিহত তিন পরিবারের পাশে উপজেলা প্রশাসন সীমান্ত এলাকায় ১৩ পরিবারকে মানবিক সহায়তা দিল বিজিবি মিয়ানমারের অভ্যন্তরে পরিত্যক্ত মর্টার শেল বিস্ফোরণে নাইক্ষ্যংছড়ির কিশোর নিহত পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন, ভূমি সমস্যার সমাধান ও নিয়োগে স্বচ্ছতার দাবি ৪৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার ১৫ পিচ ইয়াবাসহ যুবক আটক, বাঘাইছড়িতে পুলিশের বিশেষ অভিযান দীপেন দেওয়ানের পুনর্বহালের দাবিতে বিলাইছড়ি উপজেলা বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ
Notice :

মহালছড়িতে সেনাবাহিনীর অভিযান, সশস্ত্র গোষ্ঠীর অস্থায়ী ঘাঁটি ধ্বংস

Reporter Name

শফিক ইসলাম, মহালছড়ি প্রতিনিধি।।
খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অভিযানিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত ধারাবাহিক অভিযানে একটি অস্থায়ী ঘাঁটি শনাক্ত করে তা ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১ জুন ২০২৬ তারিখে মহালছড়ি উপজেলার পঙ্খীমুড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনার পর ধারাবাহিকভাবে মঙ্গলবার (২ জুন) মাইসছড়ি কমলাবাগান এলাকায় আরও একটি অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় সেনাবাহিনী সশস্ত্র গোষ্ঠী ইউপিডিএফ (মূল)-এর সরঞ্জাম মজুদের কোনো নির্দিষ্ট অবস্থান খুঁজে না পেলেও একটি অস্থায়ী আস্তানার সন্ধান পায়।

পরবর্তীতে অভিযানকারী দল ওই স্থানে ব্যাপক তল্লাশি চালায়। এ সময় অস্ত্র সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত বাঙ্কার, ডিউটি পোস্ট, বিশ্রামাগার এবং কথিত প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার স্থানসহ বিভিন্ন স্থাপনার অস্তিত্ব শনাক্ত করা হয়। অভিযান শেষে ঘাঁটির অবকাঠামো ধ্বংস করা হয় এবং এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলে জানানো হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে দুর্গম ওই এলাকায় একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর কিছু সদস্য অবস্থান করত এবং বিভিন্ন সময়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ ছিল। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয় বলে তারা জানান।

এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, সেনাবাহিনীর নিয়মিত টহল ও অভিযানের কারণে এলাকায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা অনেকাংশে কমে এসেছে। ফলে স্থানীয়রা আগের তুলনায় বেশি নিরাপদ বোধ করছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, পাহাড়ি অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সশস্ত্র কার্যক্রম দমনের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। বর্তমানে কমলাবাগান ও আশপাশের এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক তৎপরতা অব্যাহত থাকলে পাহাড়ি অঞ্চলে সশস্ত্র সহিংসতা ও চাঁদাবাজি কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে, যা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *