বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দীঘিনালায় মাদ্রাসায় কোরআনের সবক প্রদান ও দোয়া মাহফিল বাঘাইছড়িতে ৭২.৫৬ ঘনফুট অবৈধ সেগুন-গামারী কাঠ জব্দ গুইমারায় খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সংবর্ধনা লংগদুতে ১৫ প্রতিবন্ধী পরিবার পেল খাদ্য সহায়তা রাঙ্গুনিয়ায় ১৭ অবৈধ ইটভাটা বন্ধের নোটিশ বরকলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বরকলে জেলা পরিষদের সদস্য সুবিমল  চাকমাকে গণ সংবর্ধনা বিলাইছড়িতে সাপ্তাহিক চৌকিদার প্যারেড, আইনশৃঙ্খলা নজরদারিতে গুরুত্ব মানিকছড়িতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বিলাইছড়িতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত গুইমারায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রামগড়ে বিএনপি’র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন নানিয়ারচরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ‘শহীদ জিয়ার বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চা অব্যাহত রাখতে বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছে’: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল পার্বত্য মন্ত্রী রাজপুত্র জেরীকে বান্দরবানে রাজকীয় সংবর্ধনায় বান্দরবানে “হোটেল হিলি রেইনবো” এর উদ্বোধন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

রুমায় শান্তি, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও পুনর্বাসন ইস্যুতে সেনাবাহিনীর মতবিনিময় সভা

Reporter Name

লোকমান হাকিম, রুমা প্রতিনিধি।।
বান্দরবানের রুমা উপজেলায় ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, পার্বত্যাঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মিজোরাম থেকে ফিরে আসা শরণার্থীদের পুনর্বাসনসহ বিভিন্ন বিষয়ে স্থানীয় জনগণ ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রুমা উপজেলার বেথেল পাড়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুমা জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী হাসান সরকার, এসবিপি, পিএসসি।

সভায় উপজেলার বিভিন্ন চার্চের পাস্টর, বম সোশ্যাল কাউন্সিল (বিএসসি)-এর সদস্য, কারবারি, হেডম্যান এবং বেথেল পাড়ার সাধারণ জনগণসহ প্রায় ১৫৫ জন অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা শেষে জেল থেকে জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং ভারতের মিজোরাম থেকে ফিরে আসা পরিবারসহ মোট ৫৬টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়।

সভায় জোন কমান্ডার বম সম্প্রদায়ের মধ্যে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিনি কুকি-চিন ন্যাশনাল আর্মি (কেএনএ)-এর বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান এবং ধর্মীয় নেতাদের উদ্দেশে বলেন, কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা চাপের কাছে নতি স্বীকার না করে স্থানীয় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সংগঠনটির সদস্যদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে উৎসাহিত করতে হবে এবং কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা না দেওয়ার বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।

এ সময় তিনি ভারতের মিজোরাম থেকে ফিরে আসা বম শরণার্থীদের দেশে ফিরে স্বাভাবিক জীবনে যুক্ত হওয়ার জন্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও ধর্মীয় ব্যক্তিদের সহযোগিতা কামনা করেন। পাশাপাশি গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য থেকে সতর্ক থাকার এবং সঠিক তথ্য জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

জোন কমান্ডার বলেন, বর্তমানে রুমা উপজেলার সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেক বেশি স্থিতিশীল। এ পরিস্থিতি বজায় রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, যেকোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করতে স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

মিজোরাম থেকে ফিরে আসা শরণার্থী এবং জেল থেকে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসন বিষয়ে তিনি জানান, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় তাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি কেউ আত্মসমর্পণ করলে তাকে পুনর্বাসনের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সভায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণ এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং পার্বত্যাঞ্চলে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *