মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়িতে বিশেষ অভিযান; ইউপিডিএফ (মূল) এর ৩ জন সশস্ত্র চাঁদাবাজ গ্রেফতার মানিকছড়িতে ‘‘আলোকিত মানিকছড়ি” জনকল্যাণ সংস্থার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের আভাস শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পার্বত্য মন্ত্রীর পদত্যাগ রুমায় ঝড়ে বৃদ্ধের ঘরে গাছের ডাল, অল্পের জন্য রক্ষা কর্ণফুলীতে নৌকাডুবি: ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা ৪ কিশোরকে পুলিশের সাহসিকতা সম্মাননা উচ্চশিক্ষায় আগ্রহ বাড়াতে ঈদগাঁওয়ে কর্মশালা ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা রামগড়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রাঙামাটিতে ভূষণছড়া হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে শোকসভা রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে হেডম্যান-কারবারি সম্মেলন পাহাড়ি ঢলে দীঘিনালার মধ্য বোয়ালখালীতে কালভার্ট ধস, দুর্ভোগে ২০০ পরিবার প্রত্যন্ত সিন্দুকছড়ি থেকে বিশ্বমঞ্চে সাফল্যের উড়ান: পিএইচডি অর্জন করলেন ড. সজীব ত্রিপুরা স্বেচ্ছাশ্রমে কবরস্থান সংস্কারে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রামুতে ‘প্রজন্ম’ ৯৫-এর উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি ও ক্রেস্ট প্রদান রাজস্থলীতে জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উদযাপন স্মৃতির আবেগে মুখর কাচালং স্কুলের এসএসসি ’৯১ ব্যাচের দ্বিতীয় পুনর্মিলনী
Notice :

পাহাড়ে সোনালি সম্ভাবনা: রাঙামাটির হানিকুইন আনারস

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী, রাঙ্গামাটি ॥

রাঙামাটির সবুজ পাহাড়ে ঝলমল করছে রসালো ‘হানিকুইন’ আনারস। স্থানীয়রা এই সোনালি ফলকে ‘পাহাড়ের হলুদ সোনা’ নামে ডাকছেন। বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক হওয়ায় এটি শুধু আয়ের উৎস নয়, পাহাড়ি কৃষকদের জীবনমান বদলাচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৬ সালে রাঙামাটিতে আনারস চাষের লক্ষ্য ২,৫৫০ হেক্টর। নানিয়ারচর উপজেলা তাই ‘আনারসের রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত। সাধারণত এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত আনারসের মৌসুম হলেও আধুনিক প্রযুক্তি ও হরমোন ব্যবহারের ফলে এখন নভেম্বর-ডিসেম্বর থেকেই বাজারে আগাম আনারস আসে।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাঙামাটি শহরের বনরূপা সমতাঘাট, পুরাতন বাসস্টেশন ঘাট ও নানিয়ারচর হাটে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা নৌকায় আনারস নিয়ে হাটে ভিড় করছেন। আকারভেদে প্রতি আনারস ২০-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা সরাসরি বাগান থেকে আনারস সংগ্রহ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠাচ্ছেন।

নানিয়ারচর উপজেলা কৃষক পুতুল চাকমা বলেন, “ধান বা অন্যান্য ফসলের তুলনায় হানিকুইন আনারস চাষ বেশি লাভজনক। হেক্টরপ্রতি ১,০০০ু১,৫০০ আনারস উৎপাদিত হয়। খরচ বাদ দিয়ে এক একর জমি থেকে শীতকালেও প্রায় ১ লাখ টাকা আয় সম্ভব।”

তবে সংরক্ষণাগারের অভাবে কম দামে বিক্রি করতে হয়, যা কৃষকদের লোকসান দেয়। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “পাহাড়ের পতিত জমিগুলো আনারস চাষের জন্য উপযোগী। কোল্ড স্টোরেজ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে উঠলে কৃষকরা আরও বেশি লাভবান হবেন।”

হানিকুইন আনারস আকারে বড়, স্বাদে মিষ্টি ও বাজারে চাহিদাসম্পন্ন। আধুনিক প্রযুক্তির কারণে আগাম উৎপাদন সম্ভাবনা কৃষকদের জন্য নতুন লাভের সুযোগ সৃষ্টি করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *