
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা বলেছেন, যে কোনো সৃজনশীল ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের সুষ্ঠু ডকুমেন্টেশন ও প্রকাশনা ছাড়া তার পূর্ণ সাফল্য জনসাধারণের কাছে উপস্থাপন করা সম্ভব নয়।
বৃহস্পতিবার (৫মার্চ ২০২৬) সকালে খাগড়াছড়ি সদরের মিলনপুরস্থ হিলটপ গেস্ট হাউসে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ভিসিএফ নেটওয়ার্ক সদস্য, নারী হেডম্যান ও কার্বারি নেটওয়ার্কের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
শেফালিকা ত্রিপুরা বলেন, “আমরা পার্বত্য অঞ্চলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে যাচ্ছি। তবে যথাযথ ডকুমেন্টেশন না থাকায় সেই সাফল্যগুলো বৃহত্তর পরিসরে উপস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে না। প্রতিটি উদ্যোগ ও অর্জনকে সুশৃঙ্খলভাবে নথিভুক্ত করা এবং প্রকাশনার মাধ্যমে সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি।”
‘বন্যপ্রাণী শিকার ও পাচার আইনগত দণ্ডনীয় অপরাধ — বন বাঁচলে জীববৈচিত্র্য ও বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ হবে’ এই প্রতিপাদ্যে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় জেলার বিভিন্ন মৌজার নারী হেডম্যান ও কার্বারিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় প্রশিক্ষণ প্রদান করেন জাবারাং কল্যাণ সমিতির নির্বাহী পরিচালক মথুরা বিকাশ ত্রিপুরা। ইউএনডিপি’র জেলা ব্যবস্থাপক প্রিয়তর চাকমা স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবং ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অফিসার জ্ঞানদর্শী চাকমা অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন। এছাড়া বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য জয়া ত্রিপুরা এবং সিএইচটি নারী হেডম্যান ও কার্বারি নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক হেডম্যান ইখিন চৌধুরী।
কর্মশালাটি আয়োজিত হয় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের বাস্তবায়নাধীন ইআরআরডি-সিএইচটি প্রকল্প (Ecosystems Restoration and Resilient Development in Chittagong Hill Tracts), যা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইউএনডিপি’র যৌথ উদ্যোগে এবং গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা (জিএসি)-র অর্থায়নে পরিচালিত হয়।