April 18, 2026, 7:51 am
শিরোনাম :
এবারে বাঙ্গালহালিয়ার এক শ্মশানে মিললো নবজাতক মেয়েশিশু খাগড়াছড়িতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন; চলবে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত রামু এ.কে. আজাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে পুরস্কার বিতরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামে এক দৃঢ় নারী নেতৃত্ব কুহেলী দেওয়ান বরকলের সীমান্তবর্তী বড় হরিনায় ১২ বিজিবির জনসচেতনতামূলক সভা রাঙ্গামাটিতে পানিখেলায় মারমা তরুণ-তরুণীদের উচ্ছাস কাপ্তাইয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত রাঙামাটিতে যুবনেতা ধর্মশিং চাকমা হত্যা: ইউপিডিএফ’র নিন্দা ও প্রতিবাদ রাঙামাটিতে যুবনেতা ধর্মশিং চাকমা গুলিতে নিহত, নিন্দা ও প্রতিবাদ ডিওয়াইএফের নাইল্যাছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা রাঙ্গুনিয়ায় পৃথক তিন ঘটনায় তিন নারী গ্রেফতার সীমান্তে ৩৪ বিজিবির মানবিক উদ্যোগ: ঘুমধুমে চিকিৎসা সেবা, অনুদান ও উপহার বিতরণ দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর সহায়তা কার্যক্রম: বদলাচ্ছে অসহায়দের জীবন লামায় মাতামুহুরী নদীতে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু রাজস্থলী তাইতংপাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নই সরকারের অগ্রাধিকার: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল
Notice :

খাগড়াছড়িতে বর্ণিল আয়োজনে বৈসু-সাংগ্রাই-বিজু ও বাংলা নববর্ষ উদযাপন শুরু

Reporter Name

স্টাফ রিপোর্টার, খাগড়াছড়ি ||

পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী উৎসব বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু, পাতা ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় শুরু হয়েছে বর্ণাঢ্য আয়োজন। বহুমাত্রিক কৃষ্টি ও সংস্কৃতির সমন্বয়ে আয়োজিত এ উৎসব ঘিরে প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো জনপদ।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের ব্যবস্থাপনায় এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায় আয়োজিত এ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল ৯টায় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ থেকে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। র‍্যালিটি শাপলা চত্বর হয়ে খাগড়াছড়ি টাউন হল প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে টাউন হল প্রাঙ্গণে পাহাড়ি ও বাঙালি বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে ঐতিহ্যবাহী ডিসপ্লে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যা উপস্থিত দর্শনার্থীদের দৃষ্টি কাড়ে।

বিকাল ৫টা থেকে শুরু হবে দ্বিতীয় পর্বের আয়োজন। এতে পাজন রান্নার প্রতিযোগিতা, চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর কোমড় তাঁত শিল্পের প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হবে।

উৎসবের দ্বিতীয় দিন বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল ১০টায় চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা এবং বিকাল ২টায় রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। একই দিন বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

উৎসবের সমাপনী দিন (৯ এপ্রিল) বিকাল ৫টায় আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তিনদিনব্যাপী এ আয়োজনের সমাপ্তি ঘটবে। পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

উল্লেখ্য, পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী নিজ নিজ ঐতিহ্য ও রীতিনীতি অনুসরণ করে এ উৎসব উদযাপন করে থাকে। আগামী ১২ এপ্রিল থেকে চাকমা সম্প্রদায়ের ফুল বিঝু শুরু হবে। ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের হারি বৈসু শুরু হবে ১৩ এপ্রিল থেকে। একই দিন মারমা সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসবও শুরু হবে। এছাড়াও পাহাড়ের অন্যান্য জনগোষ্ঠীও নিজস্ব ঐতিহ্য অনুযায়ী এ উৎসব পালন করে থাকে।

আয়োজকরা জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামের এসব উৎসব শুধু আনন্দ আয়োজন নয়, বরং বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে সুদৃঢ় করার এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। এ ধরনের আয়োজন পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধি এবং সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।