রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঐতিহ্যবাহী বলি খেলায় নয়ন চাকমা হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন সৃজন চাকমা রাঙ্গামাটিতে নিরাপদ সড়ক ও আধুনিক ট্রাফিক সচেতনতা জেলা পুলিশের কর্মসূচি পানছড়িতে ইমন হত্যাকাণ্ড ঘটনাস্থলে পুলিশ সুপার, জোরদার তদন্তের নির্দেশ রাত পোহালেই ঈদগাঁও জুয়েলারি এসোসিয়েশনের নির্বাচন সেনাবাহিনীর অভিযানে ইউপিডিএফ’র ৩ সন্ত্রাসী আটক, অস্ত্র উদ্ধার পানছড়ি দুর্গম পাহাড়ে পানছড়ি ব্যাটালিয়ান ৩ বিজিবির চিকিৎসা সেবা প্রদান নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে আধুনিক শিক্ষার বিকল্প নেই- রাঙামাটিতে জাপানি শিক্ষা পদ্ধতি “কুমন” এর উদ্বোধনে পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান লামায় ইটভাটায় পাহাড়ের মাটিবাহী গাড়ি উল্টে শ্রমিক নিহত  লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীতের দাবি পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ সুষম ও সমতাভিত্তিক উন্নয়নে বিশ্বাসী: পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান ঈদগাঁও ব্লাড ব্যাংকের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা সম্পন্ন পার্বত্য অঞ্চলে টেকসই খাদ্য নিরাপত্তা ও যুবকদের দক্ষ করতে ডব্লিউএফপি-এর সহযোগিতা চাইলেন পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি রাঙ্গামাটি বড়ুয়া জনকল্যাণ সংস্থার নেতৃত্বে সুকুমার বড়ুয়া ও সনত বড়ুয়া বরকলে পাচারকালে বিজিবি’র অভিযানে বিপুল পরিমাণ রসুন আটক আলীকদমে ডায়রিয়া ও হামের উপসর্গে গৃহবধূর মৃত্যু ভারতে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মাটিরাঙ্গায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
Notice :

লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীতের দাবি

Reporter Name

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা প্রতিনিধি।।
ন্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি জনপদ লামা উপজেলার একমাত্র সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে বর্তমান ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার দাবি উঠেছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ, চিকিৎসক ও সচেতন নাগরিকরা বলছেন, ক্রমবর্ধমান রোগীর চাপ এবং সীমিত অবকাঠামোর কারণে হাসপাতালটি দিয়ে এলাকার চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লামা উপজেলা ছাড়াও পাশ্ববর্তী আলীকদম উপজেলা এবং কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের মানুষও চিকিৎসাসেবার জন্য এই হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল। প্রতিদিন গড়ে তিন শতাধিক রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। এছাড়া জরুরি বিভাগ ও আবাসিক ওয়ার্ডে ১০০ থেকে ২০০ জন রোগী ভর্তি থাকেন বলে হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

রোগীর তুলনায় শয্যা সংখ্যা কম হওয়ায় অনেক সময় রোগীদের মেঝে কিংবা বারান্দায় অবস্থান করে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে এই হাসপাতালই বহু মানুষের একমাত্র ভরসা হয়ে উঠেছে।

হাসপাতালে কর্মরত কয়েকজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বিদ্যমান অবকাঠামো ও জনবল দিয়ে বাড়তি রোগীর চাপ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। তাদের মতে, হাসপাতালটিকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ, আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি সংযোজন এবং পর্যাপ্ত নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ প্রয়োজন।

এছাড়া হাসপাতালের আবাসিক কোয়ার্টারগুলোর অবস্থাও দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ বলে অভিযোগ রয়েছে। কয়েকটি ভবনের দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং কিছু কোয়ার্টার বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আবাসন সংকট তৈরি হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন মহলের ভাষ্য, লামা উপজেলা ভৌগোলিকভাবে বিস্তীর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এখানে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা জরুরি। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে হাসপাতালটির শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি এবং সার্বিক চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *