বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও সতর্কতা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ নজরুল বর্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ মহালছড়ি সেনাবাহিনী জোনের উদ্যোগে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত প্রবারণা পূর্ণিমায় ফানুসবাতিতে আলোকিত রাতের আকাশ; পাহাড়ে বইছে উৎসবের আমেজ শান্তিনগর একতা ক্লাবের উদ্যোগে নাইট মিনিবার ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন নানিয়ারচরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত প্রয়াণের ১৮ বছরেও জন্মস্থানে নির্মিত হয়নি রাজগুরু অগ্রবংশ মহাথেরোর ভাস্কর্য, বৌদ্ধ সমাজে ক্ষোভ লামায় হঠাৎ বজ্রপাতে শিশুসহ নিহত ২, আহত ২ নানিয়ারচরে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ১৬ নারীকে সেলাই প্রশিক্ষণ দীঘিনালায় কঠিন চীবর দানোৎসব ঘিরে বিজিবির নিরাপত্তা সভা, বিহারগুলোতে অনুদান রাঙামাটির বুদ্ধাংকুর বৌদ্ধ বিহারে ২৬তম শুভ দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসব সম্পন্ন যুবসমাজকে মাদকের ছোবল থেকে বাঁচাতে প্রশাসন ও ক্রীড়া সংস্থার ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ রাজস্থলীতে বন্য শুকরের আক্রমণে জুমচাষি নিহত খাগড়াছড়িতে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপন সাজেকের পরিস্থিতি নিয়ে হেডম্যান-কারবারীদের সঙ্গে প্রশাসনের মতবিনিময় আলীকদমে ছুটির মধ্যেও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালু রেখেছেন শিক্ষকরা

পাহাড়ে সোনালি সম্ভাবনা: রাঙামাটির হানিকুইন আনারস

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী, রাঙ্গামাটি ॥

রাঙামাটির সবুজ পাহাড়ে ঝলমল করছে রসালো ‘হানিকুইন’ আনারস। স্থানীয়রা এই সোনালি ফলকে ‘পাহাড়ের হলুদ সোনা’ নামে ডাকছেন। বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক হওয়ায় এটি শুধু আয়ের উৎস নয়, পাহাড়ি কৃষকদের জীবনমান বদলাচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৬ সালে রাঙামাটিতে আনারস চাষের লক্ষ্য ২,৫৫০ হেক্টর। নানিয়ারচর উপজেলা তাই ‘আনারসের রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত। সাধারণত এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত আনারসের মৌসুম হলেও আধুনিক প্রযুক্তি ও হরমোন ব্যবহারের ফলে এখন নভেম্বর-ডিসেম্বর থেকেই বাজারে আগাম আনারস আসে।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাঙামাটি শহরের বনরূপা সমতাঘাট, পুরাতন বাসস্টেশন ঘাট ও নানিয়ারচর হাটে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা নৌকায় আনারস নিয়ে হাটে ভিড় করছেন। আকারভেদে প্রতি আনারস ২০-৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা সরাসরি বাগান থেকে আনারস সংগ্রহ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠাচ্ছেন।

নানিয়ারচর উপজেলা কৃষক পুতুল চাকমা বলেন, “ধান বা অন্যান্য ফসলের তুলনায় হানিকুইন আনারস চাষ বেশি লাভজনক। হেক্টরপ্রতি ১,০০০ু১,৫০০ আনারস উৎপাদিত হয়। খরচ বাদ দিয়ে এক একর জমি থেকে শীতকালেও প্রায় ১ লাখ টাকা আয় সম্ভব।”

তবে সংরক্ষণাগারের অভাবে কম দামে বিক্রি করতে হয়, যা কৃষকদের লোকসান দেয়। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “পাহাড়ের পতিত জমিগুলো আনারস চাষের জন্য উপযোগী। কোল্ড স্টোরেজ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প গড়ে উঠলে কৃষকরা আরও বেশি লাভবান হবেন।”

হানিকুইন আনারস আকারে বড়, স্বাদে মিষ্টি ও বাজারে চাহিদাসম্পন্ন। আধুনিক প্রযুক্তির কারণে আগাম উৎপাদন সম্ভাবনা কৃষকদের জন্য নতুন লাভের সুযোগ সৃষ্টি করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *