মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খাগড়াছড়িতে প্রসবজনিত ফিস্টুলা নির্মূলে জোরালো আহ্বান বান্দরবানে এপেক্স বাংলাদেশের নবনির্বাচিত এনভিপিকে সংবর্ধনা বিলাইছড়িতে ধর্মীয় গুরুদের সঙ্গে মত বিনিময় করলেন ইউএনও — হাসনাত জাহান খান  তৃণমূল থেকে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হলেন নাইমুল ইসলাম রনি রামুর হাইটুপি গ্রামের ননী বালা বড়ুয়া পরলোকে, অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন রামুর বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য আবুল বশরের ইন্তেকাল, জানাযা সম্পন্ন মেঘ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে খাগড়াছড়িতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এ ফুটবল-কাবাডির উত্তাপ লামায় বন্যহাতি করিডোরে সচেতনতা অভিযান: “সংঘাত নয়, সহাবস্থান চাই” লামায় ফ্যামিলি সমাবেশ ও ভিডিওচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত বান্দরবান জেলা পরিষদের উদ্যোগে প্রথম ধাপে ১,৪৫৬ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সাজেকে চাঁদের গাড়ি উল্টে সড়ক বন্ধ, সেনাবাহিনীর সহায়তায় দ্রুত যানচলাচল স্বাভাবিক বাঘাইছড়ি ছাত্রদল নেতাদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল রাঙ্গামাটিতে ১৪৪ ধারা জারি; রাঙ্গামাটিতে ছাত্রদলের নতুন জেলা কমিটি ঘোষণা ইয়াবা সহ ইসলামপুরের দু’জন আটক পাহাড়ে বিজ্ঞানচর্চার নতুন দিগন্ত: খাগড়াছড়ি সরকারি মহিলা কলেজে বিজ্ঞান ক্লাবের যাত্রা
Notice :

লামায় বন্যহাতি করিডোরে সচেতনতা অভিযান: “সংঘাত নয়, সহাবস্থান চাই”

Reporter Name

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা।
বান্দরবানের লামা উপজেলায় বন্যহাতি ও মানুষের মধ্যে দ্বন্দ্ব কমাতে সচেতনতামূলক প্রচারণা অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৪ মে) উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ইয়াংছা বন্যহাতি করিডোরের ঠান্ডাঝিরি পাড়ায় এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

“বন্যহাতির চলাচল এলাকায় মানুষ ও বন্যহাতির মধ্যকার দ্বন্দ্ব হ্রাসে সচেতনতামূলক প্রচারণা অভিযান” শীর্ষক এই কর্মসূচির প্রতিপাদ্য ছিল—“সংঘাত নয়, সহাবস্থান চাই—মানুষ ও হাতির বন্ধন গড়ি”। বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের জীববৈচিত্র‍্য সংরক্ষণ প্রকল্পের উদ্যোগে এবং জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর সহযোগিতায় এ আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লামা বন বিভাগের ইয়াংছা স্টেশন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি মানুষ-বন্যপ্রাণীর দ্বন্দ্বের কারণ, তা নিরসনে করণীয় এবং সতর্কতামূলক আচরণ সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেন।

ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জের এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের দলনেতা মানিক বন্যহাতির চলাচল এলাকায় নিরাপদ আচরণ, আবাসস্থল সংরক্ষণ, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সরকারি ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তির প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

প্রকল্পের ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অফিসার অংসাইন হাতির করিডোর সংরক্ষণের গুরুত্ব, জীববৈচিত্র‍্য পুনরুদ্ধার কার্যক্রম এবং সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন লামা উপজেলা বায়োডাইভারসিটি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট ফ্যাসিলিটেটর রুবেল কবির।

কর্মসূচিতে স্থানীয় বিদ্যালয়ের শিক্ষক, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং এলাকাবাসী অংশ নেন। রঙিন পোস্টার প্রদর্শন, লিফলেট বিতরণ এবং মাইকিংয়ের মাধ্যমে বন্যহাতির আবাসস্থল রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হয়। পাশাপাশি ফাঁসিয়াখালী নেচার টিম আশপাশের পাড়া ও বাজার এলাকায় প্রচারণা চালায়।

আয়োজকরা জানান, মোট ৯৪ জন স্থানীয় বাসিন্দা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন, যার মধ্যে ৪৩ জন নারী ছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা তাদের কৃষিজমি ও বাগানে বন্যহাতি সংক্রান্ত অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন।

শেষে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়িয়ে মানুষ ও বন্যহাতির সহাবস্থান নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।