রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদগাঁও উপজেলায় মাসব্যাপী সাঁতার প্রশিক্ষণের (অনূর্ধ্ব-১৪) সমাপনী ও সনদ বিতরণ দুর্গম ছলম পাড়ায় হামের প্রাদুর্ভাবে দুই ম্রো শিশুর মৃত্যু, উদ্বেগ বাড়ছে পাহাড়ে কোরবানির হাটে নিরাপত্তা জোরদার, সাদা পোশাকেও দায়িত্বে র‍্যাব সদস্যরা রাঙ্গামাটিতে আবারও নতুন সাংবাদিক ইউনিয়নের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে কামাল-সৈকত-মুমু রাঙ্গামাটি সাংবাদিক ইউনিয়নের আত্মপ্রকাশ: শামসুল সভাপতি, সোলায়মান সম্পাদক, শান্তময় সাংগঠনিক সম্পাদক দুর্গম লুলাইংয়ে সড়ক উন্নয়ন: বদলাচ্ছে পাহাড়ি জনপদের যোগাযোগ ও জীবনযাত্রা ছাদের ময়লা পরিষ্কার করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণ শিক্ষকের মৃত্যু পানছড়িতে কোরবানির পশু জবাই ও চামড়া সংরক্ষণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত মাটিরাঙ্গায় ৫০ জন কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ ও সার বিতরণ লামার ফাঁসিয়াখালীতে পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে পাহাড় কাটার অভিযোগ পাহাড়ি লিচুর সুবাসে মুখর মাটিরাঙ্গা  খাগড়াছড়িতে আনসার ও ভিডিপির ৩ হাজার ৬১২ সদস্যকে ঈদ উপহার বিতরণ খাগড়াছড়িতে নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও সমাবেশ খাগড়াছড়িতে ক্বওমি মাদ্রাসা ও ওলামা ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে নবীন আলেম সংবর্ধনা বান্দরবানে দুর্গম রেমাক্রীতে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব, আক্রান্ত অর্ধশতাধিক খাগড়াছড়ির গুইমারায় খাল খননের কাজেই ব্যবহৃত স্কেভেটর পুড়িয়ে দিয়েছে দুবৃর্ত্তরা
Notice :

লামার ফাঁসিয়াখালীতে পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে পাহাড় কাটার অভিযোগ

Reporter Name

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা উপজেলা সংবাদদতাতা।
বান্দরবানের লামা উপজেলায় পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অমান্য করে অবৈধভাবে পাহাড় কাটার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কুমারী চাককাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অভিযোগে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য মুসা কলিমউল্লাহ কিসলুর মালিকানাধীন বাগান এলাকায় এস্কেভেটর (ভেকু) ব্যবহার করে ব্যাপকভাবে পাহাড় কাটা হচ্ছে। সেখানে যাতায়াতের রাস্তা নির্মাণ এবং মাছ চাষ প্রকল্পের জন্য বাঁধ তৈরির উদ্দেশ্যে পাহাড় কাটা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

শনিবার (২৩ মে) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, পাহাড় কেটে বিপুল পরিমাণ মাটি অপসারণ করে প্রশস্ত রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। এতে পাহাড়ের প্রাকৃতিক গঠন নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র‍্যরে ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকায় পাহাড় ধসের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

অভিযুক্ত মুসা কলিমউল্লাহ কিসলু অভিযোগের বিষয়ে বলেন, বাগানে যাতায়াতের সুবিধার জন্য রাস্তা এবং মাছ চাষ প্রকল্পের জন্য বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। ইটভাটায় পাহাড় কাটা হলেও সেখানে কোনো সমস্যা হয় না বলে তিনি দাবি করেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে কিনা—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সবার জন্য ছাড়পত্র লাগে না।”

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, কোনো ধরনের প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়াই বেপরোয়াভাবে পাহাড় কাটা চলছে। এতে পার্বত্য অঞ্চলের প্রাকৃতিক ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন। তারা অবিলম্বে পাহাড় কাটা বন্ধ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

পরিবেশবিদরা বলছেন, পাহাড় কাটা পরিবেশ ধ্বংসের পাশাপাশি পাহাড় ধস, ভূমিক্ষয় ও জীববৈচিত্র‍্য বিনাশের অন্যতম প্রধান কারণ। বিশেষ করে পার্বত্য এলাকায় অপরিকল্পিত পাহাড় কাটার ফলে বর্ষা মৌসুমে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি হয়।

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী, অনুমোদন ছাড়া পাহাড় কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের কার্যক্রমে জরিমানা, কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর, বান্দরবান কার্যালয়ের উপপরিচালক নূর হাসান সজিব জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *