বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বরকলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বরকলে জেলা পরিষদের সদস্য সুবিমল  চাকমাকে গণ সংবর্ধনা বিলাইছড়িতে সাপ্তাহিক চৌকিদার প্যারেড, আইনশৃঙ্খলা নজরদারিতে গুরুত্ব মানিকছড়িতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বিলাইছড়িতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত গুইমারায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রামগড়ে বিএনপি’র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন নানিয়ারচরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ‘শহীদ জিয়ার বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চা অব্যাহত রাখতে বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছে’: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল পার্বত্য মন্ত্রী রাজপুত্র জেরীকে বান্দরবানে রাজকীয় সংবর্ধনায় বান্দরবানে “হোটেল হিলি রেইনবো” এর উদ্বোধন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী খাগড়াছড়িতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন নানিয়ারচরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রাজস্থলীতে নানা আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  রাজস্থলীতে যুব উন্নয়নের দুই মাসব্যাপী ভ্রাম্যমাণ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত  উখিয়ায় পরিত্যক্ত বস্তা থেকে দুই লাখ ইয়াবা উদ্ধার

লামার ফাঁসিয়াখালীতে পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে পাহাড় কাটার অভিযোগ

Reporter Name

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা উপজেলা সংবাদদতাতা।
বান্দরবানের লামা উপজেলায় পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অমান্য করে অবৈধভাবে পাহাড় কাটার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কুমারী চাককাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অভিযোগে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য মুসা কলিমউল্লাহ কিসলুর মালিকানাধীন বাগান এলাকায় এস্কেভেটর (ভেকু) ব্যবহার করে ব্যাপকভাবে পাহাড় কাটা হচ্ছে। সেখানে যাতায়াতের রাস্তা নির্মাণ এবং মাছ চাষ প্রকল্পের জন্য বাঁধ তৈরির উদ্দেশ্যে পাহাড় কাটা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

শনিবার (২৩ মে) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, পাহাড় কেটে বিপুল পরিমাণ মাটি অপসারণ করে প্রশস্ত রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। এতে পাহাড়ের প্রাকৃতিক গঠন নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র‍্যরে ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকায় পাহাড় ধসের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

অভিযুক্ত মুসা কলিমউল্লাহ কিসলু অভিযোগের বিষয়ে বলেন, বাগানে যাতায়াতের সুবিধার জন্য রাস্তা এবং মাছ চাষ প্রকল্পের জন্য বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। ইটভাটায় পাহাড় কাটা হলেও সেখানে কোনো সমস্যা হয় না বলে তিনি দাবি করেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে কিনা—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সবার জন্য ছাড়পত্র লাগে না।”

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, কোনো ধরনের প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়াই বেপরোয়াভাবে পাহাড় কাটা চলছে। এতে পার্বত্য অঞ্চলের প্রাকৃতিক ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন। তারা অবিলম্বে পাহাড় কাটা বন্ধ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

পরিবেশবিদরা বলছেন, পাহাড় কাটা পরিবেশ ধ্বংসের পাশাপাশি পাহাড় ধস, ভূমিক্ষয় ও জীববৈচিত্র‍্য বিনাশের অন্যতম প্রধান কারণ। বিশেষ করে পার্বত্য এলাকায় অপরিকল্পিত পাহাড় কাটার ফলে বর্ষা মৌসুমে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি হয়।

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী, অনুমোদন ছাড়া পাহাড় কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের কার্যক্রমে জরিমানা, কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর, বান্দরবান কার্যালয়ের উপপরিচালক নূর হাসান সজিব জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *