শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফেসবুক স্ট্যাটাসে নজর, রাঙ্গামাটির আসামবস্তি কেন্দ্রীয় শ্মশানে ডিপ টিউবওয়েল স্থাপন বান্দরবানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‌্যালি অনুষ্ঠিত ১১ কোটি টাকায় বান্দরবানে তিনটি আধুনিক বাজার ভবন সম্পন্ন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সুযোগ সাজেকে পর্যটকের হারানো মোবাইল উদ্ধার করে ফেরত দিল বাংলাদেশ সেনাবাহিনী লংগদুতে জমি দখল ও আদালতের আদেশ অমান্যের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’ দাবি ৩৭ বিজিবির লামায় মিরিঞ্জা পর্যটন কমপ্লেক্স পাহাড় বাঘাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবাসন সংকটে লামার ১,৩২৫ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রভাব পড়ছে সেবায় জ্ঞানের আলো ছড়াতে ঈদগাঁওতে নতুন পাঠাগার পানছড়ির মরাটিলায় ঝর্ণা থেকে পাওয়া ‘শিবমূর্তি’ ঘিরে ভক্তদের ভিড়, পৃথক মন্দির নির্মাণে সহায়তার আহ্বান কাপ্তাইয়ে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন লামায় প্রশাসন ও কারিতাস’র বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন ঈদগাঁওতে দু’ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা বান্দরবানে সীমান্তে ৩ কোটি টাকার বেশি মূল্যের ১০০৮৪১ পিস ইয়াবা উদ্ধার ইসলামপুর ইউনিয়ন বাসীর কাছে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশী: যুবনেতা ইমরুল হাসান তালুকদার বাংলা আমার প্রণোদনা পুরস্কার-২০২৬ পেলেন সংস্কৃতিকর্মী, সংগঠক ও বাচিকশিল্পী চিংলামং চৌধুরী
Notice :

লামার ফাঁসিয়াখালীতে পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে পাহাড় কাটার অভিযোগ

Reporter Name

মো. ইসমাইলুল করিম, লামা উপজেলা সংবাদদতাতা।
বান্দরবানের লামা উপজেলায় পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অমান্য করে অবৈধভাবে পাহাড় কাটার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কুমারী চাককাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অভিযোগে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য মুসা কলিমউল্লাহ কিসলুর মালিকানাধীন বাগান এলাকায় এস্কেভেটর (ভেকু) ব্যবহার করে ব্যাপকভাবে পাহাড় কাটা হচ্ছে। সেখানে যাতায়াতের রাস্তা নির্মাণ এবং মাছ চাষ প্রকল্পের জন্য বাঁধ তৈরির উদ্দেশ্যে পাহাড় কাটা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

শনিবার (২৩ মে) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, পাহাড় কেটে বিপুল পরিমাণ মাটি অপসারণ করে প্রশস্ত রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। এতে পাহাড়ের প্রাকৃতিক গঠন নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ ও জীববৈচিত্র‍্যরে ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকায় পাহাড় ধসের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

অভিযুক্ত মুসা কলিমউল্লাহ কিসলু অভিযোগের বিষয়ে বলেন, বাগানে যাতায়াতের সুবিধার জন্য রাস্তা এবং মাছ চাষ প্রকল্পের জন্য বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। ইটভাটায় পাহাড় কাটা হলেও সেখানে কোনো সমস্যা হয় না বলে তিনি দাবি করেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে কিনা—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সবার জন্য ছাড়পত্র লাগে না।”

এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, কোনো ধরনের প্রশাসনিক অনুমতি ছাড়াই বেপরোয়াভাবে পাহাড় কাটা চলছে। এতে পার্বত্য অঞ্চলের প্রাকৃতিক ভারসাম্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন। তারা অবিলম্বে পাহাড় কাটা বন্ধ করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

পরিবেশবিদরা বলছেন, পাহাড় কাটা পরিবেশ ধ্বংসের পাশাপাশি পাহাড় ধস, ভূমিক্ষয় ও জীববৈচিত্র‍্য বিনাশের অন্যতম প্রধান কারণ। বিশেষ করে পার্বত্য এলাকায় অপরিকল্পিত পাহাড় কাটার ফলে বর্ষা মৌসুমে বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি তৈরি হয়।

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী, অনুমোদন ছাড়া পাহাড় কাটা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের কার্যক্রমে জরিমানা, কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর, বান্দরবান কার্যালয়ের উপপরিচালক নূর হাসান সজিব জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *