বুধবার, ২৭ মে ২০২৬, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পাঁচ দিনের দুর্গম পথ পেরিয়ে সীমান্ত পাহারায় ৭ বিজিবি আসন্ন পবিত্র ঈদ উল আযহা; জমে উঠেছিল রাঙ্গামাটি পশুর হাট রাঙ্গামাটি পুলিশের অভিযানে নিখোঁজ শিশু উদ্ধার খাগড়াছড়িতে ঈদুল আযহার জামাতের সময়সূচি প্রকাশ লামা উপজেলায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান, ৫টি শ্যালো মেশিন জব্দ লামায় গুম-খুন-ধর্ষণের বিচার দাবিতে ছাত্র ফেডারেশনের বিক্ষোভ সমাবেশ রাঙ্গামাটিতে ১ হাজার ইয়াবাসহ তিনজন আটক কক্সবাজার আদালত প্রাঙ্গণে গুলির ঘটনায় দুটি মামলা, আসামি ১৩ ঘুমধুম সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে নিহত তিন পাহাড়ির শেষকৃত্য সম্পন্ন ক্যান্সার ও প্যারালাইসিস আক্রান্ত তঞ্চঙ্গ্যা পরিবারের পাশে ‘পজেটিভ কাপ্তাই’ ঘুমধুম সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে তিন বাগানচাষী নিহত, ডিমাইনিংয়ের দাবি ইউপিডিএফের সাজেকে বজ্রপাতে তিন মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু, আহত ৫ মানিকছড়িতে খাল খনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে পাঁচটি ঘাট নির্মাণ, ২ কোটি ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ থানচিতে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে কিশোর আটক, থানার সামনে জনতার বিক্ষোভ ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা পেল ৩০০ ক্রীড়াবিদ, পার্বত্য অঞ্চলের ৭ জনও তালিকায় নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে তিন বাংলাদেশি নিহত
Notice :

পানছড়িতে আনসার ও ভিডিপির কম্বল বিতরণ

আরিফুল ইসলাম মহিন, খাগড়াছড়ি

শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পার্বত্য অঞ্চলের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে আনসার ও ভিডিপি। খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলার ১নং লোগাং ইউনিয়নে মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি ২০২৬) সকালে অসহায়, এতিম, মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে ১নং লোগাং ইউনিয়ন দলনেতা মোঃ জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে কম্বল বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লোগাং আনসার ও ভিডিপি প্লাটুন কমান্ডার জমির উদ্দিন এবং লোগাং ৪নং প্লাটুনের ভিডিপি সদস্য মোহাম্মদ সামিনুল্লাহসহ সংশ্লিষ্ট সদস্যরা।

কম্বল বিতরণ অনুষ্ঠানে শীতার্ত মানুষের হাতে কম্বল তুলে দিয়ে ইউনিয়ন দলনেতা মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন,
“পাহাড়ি এলাকায় শীতের প্রকোপ তুলনামূলকভাবে বেশি। দরিদ্র ও অসহায় মানুষ যেন শীতে কষ্ট না পায়, সে লক্ষ্যেই আনসার ও ভিডিপি মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে কাজ করে যাচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন,
“শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন নয়, মানুষের জীবনমান উন্নয়নই আমাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

কম্বল পেয়ে উপকারভোগীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
ইউনিয়নের এক উপকারভোগী জানান, “শীতে রাতে খুব কষ্ট হতো। এখন কম্বল পেয়ে কিছুটা স্বস্তি পাবো।”
আরেকজন বৃদ্ধ বলেন, “এই পাহাড়ে শীত অনেক বেশি। কম্বল ছাড়া টিকে থাকা কঠিন।”

কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সমাজকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয়দের মতে, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এ ধরনের শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

উল্লেখ্য, শীত মৌসুমে পার্বত্য অঞ্চলের তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর দুর্ভোগ বেড়ে যায়। এ মানবিক উদ্যোগ এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *