April 18, 2026, 7:49 am
শিরোনাম :
এবারে বাঙ্গালহালিয়ার এক শ্মশানে মিললো নবজাতক মেয়েশিশু খাগড়াছড়িতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন; চলবে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত রামু এ.কে. আজাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে পুরস্কার বিতরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামে এক দৃঢ় নারী নেতৃত্ব কুহেলী দেওয়ান বরকলের সীমান্তবর্তী বড় হরিনায় ১২ বিজিবির জনসচেতনতামূলক সভা রাঙ্গামাটিতে পানিখেলায় মারমা তরুণ-তরুণীদের উচ্ছাস কাপ্তাইয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত রাঙামাটিতে যুবনেতা ধর্মশিং চাকমা হত্যা: ইউপিডিএফ’র নিন্দা ও প্রতিবাদ রাঙামাটিতে যুবনেতা ধর্মশিং চাকমা গুলিতে নিহত, নিন্দা ও প্রতিবাদ ডিওয়াইএফের নাইল্যাছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা রাঙ্গুনিয়ায় পৃথক তিন ঘটনায় তিন নারী গ্রেফতার সীমান্তে ৩৪ বিজিবির মানবিক উদ্যোগ: ঘুমধুমে চিকিৎসা সেবা, অনুদান ও উপহার বিতরণ দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর সহায়তা কার্যক্রম: বদলাচ্ছে অসহায়দের জীবন লামায় মাতামুহুরী নদীতে গোসলে নেমে পর্যটকের মৃত্যু রাজস্থলী তাইতংপাড়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নই সরকারের অগ্রাধিকার: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল
Notice :

সমাজে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। অধ্যাপক থানজামা লুসাই

Reporter Name

বশির আহমেদ, বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য জনপদে শিক্ষা, মানবিকতা ও নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল নাম—অধ্যাপক থানজামা লুসাই। পাহাড়ি লুসাই জনগোষ্ঠীর একজন গর্বিত সন্তান হিসেবে তিনি কেবল একজন শিক্ষাবিদই নন, বরং একটি ইতিহাস, একটি আদর্শ এবং একটি অনুপ্রেরণার প্রতীক।

অধ্যাপক থানজামা লুসাই দেশের বিভিন্ন সরকারি কলেজে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা করেছেন। তাঁর শিক্ষাদান ছিল কেবল পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—বরং মানবিক মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও সমাজ সচেতনতা গড়ে তোলাই ছিল তাঁর মূল লক্ষ্য। তিনি বিভিন্ন সরকারি কলেজে অধ্যাপক ও অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে শিক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তাঁর নেতৃত্বে অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উন্নয়ন, শৃঙ্খলা ও মানোন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বর্তমানে তিনি বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে একই পদে দায়িত্ব পালন করে তিনি প্রশাসনিক দক্ষতা ও জনমুখী নেতৃত্বের প্রমাণ দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে স্থানীয় উন্নয়ন, অবকাঠামো বৃদ্ধি, শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা লক্ষ্য করা গেছে। পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহাবস্থান নিশ্চিত করতেও তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

অধ্যাপক থানজামা লুসাই একজন সৎ, নীতিমান, আদর্শবান ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ হিসেবে সুপরিচিত। তাঁর জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সততা, পরোপকারিতা ও মানবকল্যাণের চর্চা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষার প্রসার ঘটানো এবং তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করার ক্ষেত্রে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

পাহাড়ি বাঙালি ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে অধ্যাপক লুসাইয়ের প্রতি রয়েছে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। তারা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কর্মময় জীবনের ধারাবাহিক সফলতা কামনা করেন।

স্থানীয়দের বিশ্বাস—তাঁর অভিজ্ঞতা, প্রজ্ঞা ও নৈতিক নেতৃত্ব পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতায় আরও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

অধ্যাপক থানজামা লুসাই কেবল একজন ব্যক্তি নন—তিনি একটি আদর্শ, একটি মূল্যবোধের নাম। শিক্ষা, প্রশাসন ও মানবিক নেতৃত্বের সমন্বয়ে তিনি পাহাড়ি সমাজে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।