বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বরকলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বরকলে জেলা পরিষদের সদস্য সুবিমল  চাকমাকে গণ সংবর্ধনা বিলাইছড়িতে সাপ্তাহিক চৌকিদার প্যারেড, আইনশৃঙ্খলা নজরদারিতে গুরুত্ব মানিকছড়িতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বিলাইছড়িতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত গুইমারায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রামগড়ে বিএনপি’র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন নানিয়ারচরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ‘শহীদ জিয়ার বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চা অব্যাহত রাখতে বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছে’: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল পার্বত্য মন্ত্রী রাজপুত্র জেরীকে বান্দরবানে রাজকীয় সংবর্ধনায় বান্দরবানে “হোটেল হিলি রেইনবো” এর উদ্বোধন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী খাগড়াছড়িতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন নানিয়ারচরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রাজস্থলীতে নানা আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  রাজস্থলীতে যুব উন্নয়নের দুই মাসব্যাপী ভ্রাম্যমাণ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত  উখিয়ায় পরিত্যক্ত বস্তা থেকে দুই লাখ ইয়াবা উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্তে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে তিন বাংলাদেশি নিহত

Reporter Name

আবদুর রশিদ, নাইক্ষ্যংছড়ি সংবাদদাতা।।
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে তিন বাংলাদেশি নাগরিক নিহত হয়েছেন। রোববার (২৪ মে) সকালে সীমান্তের শূন্য লাইনের কাছাকাছি মিয়ানমারের অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি)।

নিহতরা হলেন লেয়ারা (৪১), অংকেমং (৫০) ও চিংকা অং (৪০)। তারা সবাই নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ভালুকিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা। নিহতদের পিতার নাম যথাক্রমে সুনইয়ং চাকমা, মৃত নিওমং চাকমা এবং অইমং চাকমা।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) এর রেজু পাড়া বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ৪১ ও ৪২-এর মধ্যবর্তী শূন্য রেখা অতিক্রম করে মিয়ানমারের ভেতরে প্রবেশের পর ওই তিনজন ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

বিস্ফোরণের শব্দে সীমান্তবর্তী এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকা এখনো ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের ঝুঁকিতে রয়েছে। অসাবধানতাবশত শূন্য রেখা অতিক্রম করলে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে।

তিনি আরও জানান, সীমান্ত এলাকার জনগণকে সচেতন করতে বিজিবি নিয়মিতভাবে জনসচেতনতামূলক সভা ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। দুর্গম ও বনাঞ্চল এলাকায় অপ্রয়োজনে না যাওয়ার জন্য স্থানীয়দের বারবার অনুরোধ করা হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জীবিকার তাগিদে অনেক পাহাড়ি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী বনাঞ্চলে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহের কাজে যাতায়াত করে আসছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি ও মাইন আতঙ্ক বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতদের পরিবার ও স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার এবং ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে সাধারণ মানুষকে আরও কার্যকরভাবে সতর্ক করার দাবি জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *