বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বরকলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বরকলে জেলা পরিষদের সদস্য সুবিমল  চাকমাকে গণ সংবর্ধনা বিলাইছড়িতে সাপ্তাহিক চৌকিদার প্যারেড, আইনশৃঙ্খলা নজরদারিতে গুরুত্ব মানিকছড়িতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন বিলাইছড়িতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত গুইমারায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রামগড়ে বিএনপি’র ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন নানিয়ারচরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ‘শহীদ জিয়ার বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চা অব্যাহত রাখতে বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছে’: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল পার্বত্য মন্ত্রী রাজপুত্র জেরীকে বান্দরবানে রাজকীয় সংবর্ধনায় বান্দরবানে “হোটেল হিলি রেইনবো” এর উদ্বোধন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী খাগড়াছড়িতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন নানিয়ারচরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত রাজস্থলীতে নানা আয়োজনে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন  রাজস্থলীতে যুব উন্নয়নের দুই মাসব্যাপী ভ্রাম্যমাণ কম্পিউটার প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত  উখিয়ায় পরিত্যক্ত বস্তা থেকে দুই লাখ ইয়াবা উদ্ধার

রোয়াংছড়িতে শিশুর চোখের চিকিৎসায় সেনাবাহিনীর সহায়তা

Reporter Name

বান্দরবান প্রতিনিধি।।
বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার দুর্গম রৌনিনপাড়ায় বসবাসকারী এক পাহাড়ি শিশুর চোখের জটিল চিকিৎসায় সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। প্রয়োজনীয় আর্থিক সহযোগিতা ও চিকিৎসা সমন্বয়ের মাধ্যমে শিশুটির উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রৌনিনপাড়ার বাসিন্দা লাল খম লিয়ান বমের পাঁচ বছর বয়সী ছেলে দীর্ঘদিন ধরে চোখের গুরুতর সমস্যায় ভুগছিল। দুর্গম এলাকায় বিশেষায়িত চিকিৎসা সুবিধার অভাব এবং আর্থিক সংকটের কারণে সময়মতো উন্নত চিকিৎসা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছিল না। চিকিৎসকদের মতে, দ্রুত চিকিৎসা না হলে শিশুটির দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা ছিল।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, ছয় সদস্যের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি লাল খম লিয়ান বম সন্তানের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহনে হিমশিম খাচ্ছিলেন। এ অবস্থায় তিনি গত বুধবার (৩ জুন ২০২৬) রৌনিনপাড়া আর্মি ক্যাম্পে আর্থিক সহায়তার জন্য আবেদন করেন।

আবেদনের পর সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি চক্ষু বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে শিশুটির চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়।

শিশুটির বাবা লাল খম লিয়ান বম বলেন, সময়মতো সহায়তা পাওয়ায় সন্তানের চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব হয়েছে। এজন্য তিনি সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

স্থানীয়রা জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন সময়ে চিকিৎসা সহায়তা, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, ত্রাণ কার্যক্রম এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা অব্যাহত থাকলে শিশুটি স্বাভাবিক দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার সুযোগ পাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *