সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঢাকায় ত্রিপুরা ও মারমা ভাষার স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ফিরে আসা’ ও ‘জ্ঞানের আলো’র উদ্বোধনী প্রদর্শনী আলীকদম বাজারে সেনাজোন ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ অগ্নিনির্বাপন মহড়া বান্দরবানের বাঘমারা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই অর্ধশতাধিক দোকান ও বসতঘর দীঘিনালায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ঐতিহ্যবাহী বলি খেলায় নয়ন চাকমা হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন সৃজন চাকমা রাঙ্গামাটিতে নিরাপদ সড়ক ও আধুনিক ট্রাফিক সচেতনতা জেলা পুলিশের কর্মসূচি পানছড়িতে ইমন হত্যাকাণ্ড ঘটনাস্থলে পুলিশ সুপার, জোরদার তদন্তের নির্দেশ রাত পোহালেই ঈদগাঁও জুয়েলারি এসোসিয়েশনের নির্বাচন সেনাবাহিনীর অভিযানে ইউপিডিএফ’র ৩ সন্ত্রাসী আটক, অস্ত্র উদ্ধার পানছড়ি দুর্গম পাহাড়ে পানছড়ি ব্যাটালিয়ান ৩ বিজিবির চিকিৎসা সেবা প্রদান নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের দক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে আধুনিক শিক্ষার বিকল্প নেই- রাঙামাটিতে জাপানি শিক্ষা পদ্ধতি “কুমন” এর উদ্বোধনে পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান লামায় ইটভাটায় পাহাড়ের মাটিবাহী গাড়ি উল্টে শ্রমিক নিহত  লামা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীতের দাবি পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ সুষম ও সমতাভিত্তিক উন্নয়নে বিশ্বাসী: পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান ঈদগাঁও ব্লাড ব্যাংকের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা সম্পন্ন
Notice :

বান্দরবানের বাঘমারা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই অর্ধশতাধিক দোকান ও বসতঘর

Reporter Name

বশির আহাম্মদ, বান্দরবান প্রতিনিধি।।
বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলার জামছড়ি ইউনিয়নের বাঘমারা বাজারে গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৫০টি দোকানপাট ও বসতঘর পুড়ে গেছে। এতে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।

শনিবার (১৭ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে বাজার এলাকায় আগুনের সূত্রপাত হলে স্থানীয়রা তা দেখতে পেয়ে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেন। পরে আশপাশের লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালালেও দাহ্য উপকরণে নির্মিত দোকান ও বসতঘরে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে মুহূর্তের মধ্যে বাজারের অর্ধশতাধিক দোকান ও বসতঘর আগুনে পুড়ে যায়।

খবর পেয়ে রোয়াংছড়ি ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যায়।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, আগুন লাগার কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে।

রোববার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারের অধিকাংশ দোকান ও বসতঘর বাঁশ ও কাঠ দিয়ে নির্মিত হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর ভেতরে থাকা মালামাল ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক ব্যবসায়ী খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, গভীর রাতে আগুন লাগার পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই তা পুরো বাজারে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতার কারণে তারা দোকান থেকে কোনো মালামাল বের করতে পারেননি। হঠাৎ এমন ক্ষতিতে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য, এর আগেও একাধিকবার অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাঘমারা বাজার। সর্বশেষ ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভয়াবহ আগুনে বাজারটির বড় অংশ পুড়ে যায়। বারবার এমন ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ও হতাশা দেখা দিয়েছে।

বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সহকারী পরিচালক আব্দুল মান্নান আনসারী বলেন, “খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ শুরু করে। প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। আগুনের কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *