বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিলাইছড়িতে রাইংখ্যং নদীতে প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা চেঙ্গী নদীর দুই পাড়ে সম্প্রীতির মিলনমেলা, শেষ হলো পানছড়ির দুর্গোৎসব কাপ্তাই বাঁশকেন্দ্র জামে মসজিদে জরাজীর্ণ অবস্থা পূর্ণ সংস্কারের দাবি সড়ক ও নৌ পথ দুর্ঘটনা এড়াতে রাঙামাটিতে ‘নিরাপদ যাত্রা ফাউন্ডেশন’-এর সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ ও পথসভা দুর্গাপূজার ছুটিতে পর্যটকে মুখর রাঙামাটি, ভিড় বেড়েছে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে বিলাইছড়িতে প্রধান শিক্ষক দীপু চাকমার বিদায় সংবর্ধনা দুর্গম সাঁওতালপাড়ায় সুপেয় পানির ব্যবস্থা করল লক্ষীছড়ি সেনাবাহিনী, উপকৃত হবেন ৬০ জন অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ করল ৫৭ বিজিবি: অসহযোগিতার অভিযোগ বনবিভাগের বিরুদ্ধে দীঘিনালায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জোন কমান্ডার, নিরাপত্তায় মাঠে সেনাবাহিনী রামগড়ে পুজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন ওয়াদুদ ভূঁইয়া, এমপি গুইমারার নাক্রাইপাড়ায় সেনাবাহিনীর মেডিকেল ক্যাম্প, স্থানীয়দের তিন উন্নয়ন দাবি বিবেচনার আশ্বাস দুর্গাপূজা উপলক্ষে রামগড়ে প্রধানমন্ত্রীর শাড়ি উপহার পেলেন দুস্থ ও অসহায় নারীরা বান্দরবানে কুকুরের কামড়ে আহত ১৭, হাসপাতালে ভর্তি ১ খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের নিয়মিত অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জরিমানা খাগড়াছড়ি রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের নতুন যুব সদস্যদের বরণ ও বেসিক ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে কক্সবাজারে রিসার্টে অগ্নিকাণ্ড: এক পরিবারের ৬ জনের করুন মৃত্যু

কাপ্তাই বাঁশকেন্দ্র জামে মসজিদে জরাজীর্ণ অবস্থা পূর্ণ সংস্কারের দাবি

Reporter Name

কাপ্তাই প্রতিনিধি:
রাঙামাটি কাপ্তাই উপজেলার ৪নম্বর ইউনিয়ন ৬নংওয়ার্ডে একটা দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত জরাজীর্ণ বাঁশকেন্দ্র জামে মসজিদ। মসজিদটির চারপাশে জুড়ে রয়েছে লেক। উক্ত মসজিদটি ১৯৬৮সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ ৫৬বছর অতিবাহিত হলেও মসজিদটি আর সংস্কার করা হয়নি। ফলে মসজিদটির চারপাশে ফাঁটল দেখা দিয়েছে। মুসল্লীরা নামাজ আদায় ও সকালে ছোট শিশু’রা মক্তবে কোরআন পড়তে গিয়ে আতঙ্কের মধ্যে থাকে। মসজিদটির নেই কোন পিলার,ছাদের ওপর হতে বর্ষায় পানি পড়ার কারনে মুসল্লীরা নামাজ আদায় করতে কষ্ট হয়। উক্ত বাঁশকেন্দ্র এলাকায় ছয়শ’পরিবার বসবাস করে। যারা নদী,ও লেকের মাছ শিকার, দিনমজুর এবং মৌসুমি ছোট ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। অর্থ সম্পদ না থাকায় দীর্ঘদিন যাবত মসজিদটি পূর্ণ সংস্কার করতে পারছেনা। পবিত্র জুম্মাবাদ এত বেশি মুসল্লী নামাজ আদায় করতে আসে মসজিদে জায়গা সংকলন না হওয়ার ফলে নামাজ আদায় করা সম্ভব হয়না।অনেক পিছনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। মুসল্লী জয়নাল আবেদীন জানান, আমি লেকে নৌকা বা সাম্পান চালিয়ে সংসার চালাই।কিন্তু মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে ভয়ে থাকি। মসজিদে চারপাশ জুড়ে ফাঁটল,ওযুখানার অবস্থা আরও খারাপ কোন সহৃদয় ব্যক্তি মসজিদটি ভেঙ্গে পূর্ণ সংস্কার করে দিলে আমরা নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় করতে পাড়তাম। মসজিদ কমিটির সভাপতি মোঃ মনসুর মাস্টার জানান,দীর্ঘ বছর আগে এই বাঁশকেন্দ্র মসজিদটি একটা দ্বীপের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত করা হয়। এখানকার লোকজন অসহায় গরীব, দিনে আনে দিনে খায়। এদের পক্ষে মসজিদ সংস্কার,ইমাম, মুয়াজ্জিন এর বেতন দেয়াও সম্ভব হয়না। কিন্তু মসজিদটি দীর্ঘ বছর যাবত অর্থ অভাবে সংস্কার না করার ফলে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। কোন বিত্তবান,দানশীল হৃদয়বান লোকজন মসজিদটি পূর্ণ সংস্কারের জন্য আহবান জানান। মসজিদের ইমাম হাফেজ মোশাররফ হোসেন জানান, মসজিদের চারপাশ জুড়ে ফাঁটল, পিলারবিহীন,এত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার ফলে পাঁচওক্ত নামাজ আদায় করতে গিয়ে আতঙ্ক থাকি। কখন ভেঙ্গে পড়ে। এছাড়া পার্বত্য জেলা ভূমিকম্প এলাকা যে কোন সময় ভূমিকম্প হয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই মসজিদটি কোন সুহৃদয় ব্যক্তি সংস্কার করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি। মসজিদের মুয়াজ্জিন মামুন হোসেন জানান, সকালে মসজিদে ছোট, ছোট শিশু,কিশোরদের পবিত্র কুরআন পড়াতে গিয়ে আমরা ভয়ে থাকি। কখন নাজানি ভূমিকম্প বা বড় ধরনের ঝড় এসে মসজিদটি ভেঙ্গেচুড়ে যায়। তাই প্রশাসনসহ সকলের নিকট দাবি জানাই যেন আমাদের মসজিদটি পূর্ণ সংস্কার করে দেয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *