
শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে লামা উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নে পাহাড় ধসের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তিনি। পরে নিহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আহত এক নারী সদস্যের চিকিৎসার জন্য ব্যক্তিগতভাবে ১০ হাজার টাকা সহায়তা দেন।
এ সময় সাচিংপ্রু জেরি শোকাহত পরিবারের সদস্যদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার দুর্গত মানুষের পাশে রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি।
পরে বিকেলে লামা পৌরসভায় পৌঁছে তিনি বন্যা ও পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং শুকনো খাবার বিতরণ করেন। এ উপলক্ষে লামা উপজেলা প্রশাসনের হলরুমে আয়োজিত এক সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মঈন উদ্দিন দুর্যোগকালীন ত্রাণ কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অতীতেও ত্রাণ কার্যক্রমে রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
সভায় সাচিংপ্রু জেরি বলেন, পার্বত্য এলাকা প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ হওয়ায় পাহাড়ের ঢালু এলাকায় বসবাসকারীদের বর্ষা মৌসুমে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, ঘরবাড়ি ও ফসলের ক্ষতি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হলেও মানুষের জীবন অমূল্য। তাই দুর্যোগের সময় মানুষের জীবন রক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।
এ সময় লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাইছার হামিদ, বিএনপি নেতা ও সাবেক মেয়র মো. আমির হোসেন, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জাকির হোসেন মজুমদার, আবু তাহের মিয়াসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
লামা সফর শেষে এমপি সাচিংপ্রু জেরি আলীকদম উপজেলার দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে যান। পরে নাইক্ষ্যংছড়ির ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাও পরিদর্শন করে বান্দরবান ফেরার কথা রয়েছে।