সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
থানচির একাধিক স্থানে ভূমিধস, সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে সেনাবাহিনী মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত ২৫০ পরিবারের মাঝে সেনা জোনের ত্রাণ বিতরণ বিলাইছড়িতে বন্যা দুর্গত ৫০ পরিবারকে সেনা জোনের ত্রাণ সহায়তা বিলাইছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা কাপ্তাইয়ে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ পানছড়িতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত, পরিকল্পিত পরিবার গঠনের আহ্বান পানছড়ি-খাগড়াছড়ি সড়কের একাংশ ধসে, পরিদর্শনে ইউএনও ইসলামপুরে বন্যা ও পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে মাইজভান্ডারি গাউসিয়া হক কমিটির ত্রাণ বিতরণ টেকনাফে ১০ হাজার ইয়াবাসহ সিএনজি চালক আটক বান্দরবানে বন্যাদুর্গতদের পাশে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ রেজা দুর্গম আলীকদমে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সেনাবাহিনী, বিতরণ ত্রাণসামগ্রী লামায় পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে এমপি সাচিংপ্রু জেরি বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বিচ্ছিন্ন দুই সড়কের যোগাযোগ রাঙ্গুনিয়ায় কর্ণফুলী নদীতে নৌকা ডুবে তরুণ নিখোঁজ, চলছে উদ্ধার অভিযান নাইক্ষ্যংছড়িতে বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত স্টিল ব্রিজ, জরুরি মেরামতে ১১ বিজিবি রামগড়ে পাহাড়ধস ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১১৫ পরিবারে ত্রাণ বিতরণ

বিলাইছড়ির ফারুয়ায় দ্বিতীয় দফার বন্যায় জনজীবন বিপর্যস্ত

Reporter Name

হাবীবুল্লাহ মিসবাহ, রাজস্থলী প্রতিনিধি।।
রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম ফারুয়া ইউনিয়নে কয়েক দিনের ব্যবধানে দ্বিতীয় দফার বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে জনজীবন আবারও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। টানা বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে ফারুয়া বাজারসহ ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের চাইন্দ্যা, উলুছড়ি, তক্তানালা ও এগুজ্জাছড়িসহ অধিকাংশ গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক বসতবাড়িতে হাঁটু থেকে বুকসমান পানি ওঠায় শত শত পরিবার দুর্ভোগে পড়েছে। প্লাবিত হয়েছে ফসলি জমি ও মাছের ঘের। ফারুয়া বাজারের অধিকাংশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে পড়ায় ব্যবসায়ীদের ব্যাপক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

হঠাৎ দ্বিতীয় দফায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক পরিবার ঘরের আসবাবপত্র ও গবাদিপশু নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাননি। ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় অনেক এলাকায় রান্নাবান্না বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বন্যাকবলিত এলাকায় খাদ্য ও সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু, নারী ও বয়স্করা।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা জানান, বানভাসি মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত পর্যাপ্ত ত্রাণ, শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা প্রয়োজন। পাশাপাশি বন্যা-পরবর্তী সময়ে পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে বিলাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন বলেন, টানা বর্ষণ ও আকস্মিক পাহাড়ি ঢলের কারণে ফারুয়া ইউনিয়ন বন্যাকবলিত হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এবং সেখানে আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের দিনে তিন বেলা খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বিলাইছড়ি উপজেলা সদর থেকে ফারুয়া ইউনিয়নে সড়ক যোগাযোগ না থাকায় নদীপথই একমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম। তবে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বড় পরিসরে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। পরিস্থিতির উন্নতি হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ত্রাণ ও সহায়তা পাঠানো হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *