রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পাহাড়ে শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখতে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রতি খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডারের আহ্বান নানিয়ারচরে ৩০ শিক্ষানবিশকে নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন বাঙ্গালহালিয়ায় ৭ লিটার চোলাইমদসহ তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি আটক রামুতে এসএসসিতে জিপিএ-৫ ও প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেড় লাখ ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় রামুতে আসামি ফারুক গ্রেপ্তার বান্দরবান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক সংকট বিলুপ্তপ্রায় ভাষা সংরক্ষণে ‘ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চা উদ্বোধন নানিয়ারচরে জামায়াতে ইসলামীর সীরাত মাহফিল পানছড়িতে ন্যাশনাল লাইফ ইনসুরেন্সের উন্নয়ন সভা, গ্রাহকদের মাঝে চেক বিতরণ আলীকদমে পুলিশের অভিযানে চোলাই মদসহ আটক ৪ কাপ্তাইয়ের কর্ণফুলী পেপার মিলস্ পরিদর্শনে বিসিআইসি চেয়ারম্যান ড: মোঃ মাহমুদুর রহমান মহালছড়ির দুর্গম পাহাড়ে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু ৮ বছরেও মেলেনি বিচার: অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কোহিনুর বেগমের মানবেতর জীবন বাঘাইছড়িতে বিপদসীমার ওপরে কাচালং নদীর পানি, প্লাবিত নিচু এলাকা বাঘাইছড়িতে শিক্ষা ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার ডাক: বৃহত্তর মুসলিম ব্লকে জিরো টলারেন্স ঘোষণা দুর্গম পাহাড়ে বিদ্যুৎ-ইন্টারনেট ছাড়াই ৬০০ কৃষকের তথ্য হালনাগাদ

বান্দরবান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ধর্মীয় শিক্ষক সংকট

Reporter Name

বান্দরবান প্রতিনিধি।।
বান্দরবান সদর উপজেলার বান্দরবান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মুসলিম ও সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়টিতে দীর্ঘদিন ধরে ইসলাম ও সনাতন ধর্মের কোনো শিক্ষক না থাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এখানে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এর মধ্যে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন মুসলিম এবং ৪০ থেকে ৪৫ জন সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থী রয়েছে। বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ অনুমোদিত শিক্ষক পদ ৯টি। এর বাইরে সংযুক্তিতে আরও পাঁচজনসহ মোট ১৪ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। তাঁদের সবাই মারমা সম্প্রদায়ের।

কয়েকজন মুসলিম শিক্ষার্থী জানায়, বিদ্যালয়ে ইসলাম ধর্ম শিক্ষার ক্লাস নিয়মিত হয় না। মাঝে মাঝে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ধর্মীয় শিক্ষা পড়ানোর চেষ্টা করেন। অনেক সময় নিজেদের উদ্যোগে বই পড়ে কিংবা বাড়িতে পড়াশোনা করে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হয়। একই ধরনের সমস্যার কথা জানিয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীরাও।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক টিংম্যায়ী মারমা বলেন, মুসলিম শিক্ষক দেওয়ার জন্য অভিভাবকেরা জেলা পরিষদে আবেদন করেছেন। তবে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আবেদন করা হয়নি। নতুন জেলা পরিষদ গঠিত হয়েছে জানিয়ে তিনি বিষয়টি চেয়ারম্যানকে অবহিত করার কথা বলেন।

বান্দরবান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) পরিণয় চাকমা বলেন, বিদ্যালয়টিতে ধর্মীয় শিক্ষক না থাকার বিষয়টি তিনি আগে জানতেন না। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও তাঁকে এ বিষয়ে জানানো হয়নি। তবে বিষয়টি জানতে পেরেছেন এবং আগামী রোববার বা সোমবারের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

অভিভাবকেরা বলছেন, বিদ্যালয়ে সব শিক্ষার্থীর নিজ নিজ ধর্মীয় শিক্ষা পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ জন্য দ্রুত ইসলাম ও সনাতন ধর্মের শিক্ষক দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে বিকল্প ব্যবস্থায় ধর্মীয় শিক্ষা চালুর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *