শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মহালছড়ির দুর্গম পাহাড়ে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু ৮ বছরেও মেলেনি বিচার: অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কোহিনুর বেগমের মানবেতর জীবন বাঘাইছড়িতে বিপদসীমার ওপরে কাচালং নদীর পানি, প্লাবিত নিচু এলাকা বাঘাইছড়িতে শিক্ষা ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার ডাক: বৃহত্তর মুসলিম ব্লকে জিরো টলারেন্স ঘোষণা দুর্গম পাহাড়ে বিদ্যুৎ-ইন্টারনেট ছাড়াই ৬০০ কৃষকের তথ্য হালনাগাদ মেধার স্বীকৃতিতে খাগড়াছড়ি ক্যান্টনমেন্টে ১১৭ কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধিত আলীকদমে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার রাঙ্গুনিয়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ১০ দোকান ভস্মীভূত, লাখ টাকার ক্ষতি সাত বছর ধরে শূন্য মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদ, ব্যাহত রাজস্থলীর শিক্ষা কার্যক্রম লামাকে জেলা করার দাবিতে গোলটেবিল বৈঠক কাপ্তাইয়ের বিএফডিসি উপকেন্দ্র পরিদর্শনে বিএফডিসি চেয়ারম্যান -মীর হোসেন রাজস্থলীতে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত দীঘিনালায় বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মহালছড়ি সেনা জোন’র উদ্যোগে সচেতনতামূলক মহড়া ও অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থার উদ্বোধন রাজস্থলীতে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা মাটিরাঙ্গায় বিএনপির ওয়ার্ড কমিটি নিয়ে প্রতিবাদ, পুনর্গঠনের দাবি

৮ বছরেও মেলেনি বিচার: অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কোহিনুর বেগমের মানবেতর জীবন

Reporter Name

দেবদত্ত মুৎসুদ্দী, রাঙ্গামাটি।।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে ৮ বছর ধরে বিচার ও ক্ষতিপূরণের অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন রাঙ্গামাটির কাউখালি উপজেলার কোহিনুর বেগম (৪৫) ২০১৮ সালে বিএনপির পক্ষে নির্বাচনী এজেন্টের দায়িত্ব পালনের “অপরাধে” তার বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয় বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার পর থেকে স্বামী-সন্তান নিয়ে পথে বসেছেন এই পরিবার।

ক্ষতিগ্রস্ত কোহিনুর বেগমের বাড়ি রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালি উপজেলার ৩ নং ইউনিয়নের রাঙ্গীপারা, আমতলী গ্রামে। তার দাবি, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি বিএনপির পক্ষে এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নির্বাচনের পরপরই তার বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। আগুনে ঘর, আসবাবপত্র, নগদ টাকা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পুড়ে যায়।
তিনি জানান, ওই সময় তার প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়। ঘটনার পর থানা ও বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেও দীর্ঘ ৮ বছরে কোনো সুরাহা পাননি।

আগুনে সব হারিয়ে এখন স্বামী মোঃ ইয়াছিন ও ছেলে আনফিন হোসেন সাগরকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন কোহিনুর। আয়ের উৎস না থাকায় ছেলের লেখাপড়া চালিয়ে যাওয়া তিনবেলা খাবার জোগাড় করাই অনেক কষ্টের।
কোহিনুর বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “রাজনীতি করার কারণে আজ আমার ঘর-বাড়ি সব শেষ। ৮ বছর ধরে দরজায় দরজায় ঘুরেছি। বিচার চাই, ক্ষতিপূরণ চাই। ছেলেটাকে মানুষ করতে পারছি না।”

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ঘটনার পর পরিবারটি এলাকায় খুব কষ্টে আছে। প্রশাসনের কাছে তারা এই পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের কাছে আবেদন
ভুক্তভোগী পরিবারটি দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের শাস্তি এবং সরকারি সহায়তার মাধ্যমে পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছে। তারা বলছেন, রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কোনো নাগরিক যেন এভাবে নির্যাতিত না হয়।
মানুষের জানমালের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের দায়িত্ব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *