April 11, 2026, 8:45 pm
শিরোনাম :
নানিয়ারচরে সেনা জোনের উদ্যোগে ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ কক্সবাজারে পরকীয়ার জেরে যুবক নিহত, ছেলে গ্রেপ্তার মাটিরাঙ্গায় বৈসাবি ও নববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ খাদ্যশস্য বরাদ্দ প্রদান মানিকছড়িতে সংঘদান ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ফাইতং ইউনিয়নে অবৈধ ইটভাটার কার্যক্রম অব্যাহত, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বৈসাবির আমেজে মুখর খাগড়াছড়ি: সাংগ্রাই উৎসবে প্রাণ ফিরে পেল মারমা সংস্কৃতি বান্দরবানে সিনিয়র সিভিল জজ পদ শূন্য, বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি চরমে বাঘাইছড়িতে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার রামুতে পুকুর ভরাট ও গাছ কাটার অভিযোগে মামলা, তদন্তে পুলিশ রাজস্থলীতে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ কক্সবাজারে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত বগাবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত স্ত্রী হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বিলাইছড়িতে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ সম্পন্ন রাজস্থলীতে বৈসাবী উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত কাপ্তাইয়ে ব্যাঙছড়ি সড়ক সংস্কার না হওয়ায় ভোগান্তিতে ৫ হাজার পরিবার দীঘিনালায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের আর্থিক সহায়তা বিতরণ রাজস্থলীতে নতুন বছর বরণে মারমা তরুণ-তরুণীদের শরবত বিতরণ রাজস্থলীতে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলার উদ্বোধন পাহাড়ে অস্বচ্ছলদের জন্য ফ্রি আই ক্যাম্প ও ছানি অপারেশন উদ্যোগ
Notice :

সালথায় মাদকসহ আটক ৩, মূল হোতা অধরা

Reporter Name

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের সালথা উপজেলা বাউশখালী বাজার এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১২০০ গ্রাম গাঁজাসহ তিনজনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তবে চক্রটির মূল হোতা এখনও অধরাই রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার এসআই মো. আবু কাওসার সবুজের নেতৃত্বে বাউশখালী বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় পৃথকভাবে ৬০০ গ্রাম, ৩৫০ গ্রাম ও ২৫০ গ্রামসহ মোট ১২০০ গ্রাম গাঁজাসহ তিনজনকে আটক করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— সালথা উপজেলার বল্লভদী গ্রামের মুরাদ খন্দকারের ছেলে শওকত খন্দকার (৪৬), কেশারদীয়া গ্রামের মৃত ইউসুফ আলী মোল্লার ছেলে মো. জামাল মোল্লা (৪৪) এবং বাউশখালী গ্রামের জহুর খাঁর ছেলে ফরিদ খাঁ (৫৮)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বাউশখালী এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে মশিউর রহমানের নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক, ভূমিদখল, ডাকাতি, মারামারি ও অস্ত্রসহ প্রায় এক ডজন মামলা রয়েছে। অত্যন্ত কৌশলী হওয়ায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।

সোমবারের অভিযানে মশিউর বাহিনীর দুই সদস্যসহ মোট তিনজন আটক হলেও মূল হোতা মশিউর রহমান পালিয়ে যায়। এর আগে বাউশখালী এলাকায় মাদক সরবরাহ করতে এসে র‍্যাব-এর হাতে দুই নারী গ্রেফতার হলেও তখনও ধরা পড়েননি তিনি।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, উখিয়া (কক্সবাজার), কুমিল্লা ও ঢাকা হয়ে বাউশখালী এলাকায় মাদকের চালান আসে। এই চক্রের সঙ্গে রুস্তম খা, সেন্টু ফকির, জেলেখা বেগম, ফরিদ খা ও শওকত খন্দকার জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় অর্ধলাখ টাকার মাদক বেচাকেনা হয়।

এদিকে, মাদক চক্রের প্রভাবের কারণে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।