মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দুর্গম সাজেকে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বাঘাইহাট সেনা জোন খাগড়াছড়িতে ভূমিসেবা মেলা উপলক্ষে প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত ম্রাচানাই কার্বারী পাড়ায় প্রথমবারের মতো ঐতিহ্যবাহী বলী খেলা বান্দরবানে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিএনপির ত্রাণ বিতরণ বিলাইছড়িতে কোরবানি ও চামড়া সংরক্ষণ প্রশিক্ষণ বরকলে ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স অকেজো, দুর্ভোগে রোগী ঢাকায় ত্রিপুরা ও মারমা ভাষার স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ফিরে আসা’ ও ‘জ্ঞানের আলো’র উদ্বোধনী প্রদর্শনী আলীকদম বাজারে সেনাজোন ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ অগ্নিনির্বাপন মহড়া বান্দরবানের বাঘমারা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, পুড়ে ছাই অর্ধশতাধিক দোকান ও বসতঘর দীঘিনালায় অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়ে ছাই, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ঐতিহ্যবাহী বলি খেলায় নয়ন চাকমা হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন সৃজন চাকমা রাঙ্গামাটিতে নিরাপদ সড়ক ও আধুনিক ট্রাফিক সচেতনতা জেলা পুলিশের কর্মসূচি পানছড়িতে ইমন হত্যাকাণ্ড ঘটনাস্থলে পুলিশ সুপার, জোরদার তদন্তের নির্দেশ রাত পোহালেই ঈদগাঁও জুয়েলারি এসোসিয়েশনের নির্বাচন সেনাবাহিনীর অভিযানে ইউপিডিএফ’র ৩ সন্ত্রাসী আটক, অস্ত্র উদ্ধার
Notice :

বরকলে ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স অকেজো, দুর্ভোগে রোগী

Reporter Name

তসলিম উদ্দিন, বরকল।।
দুর্গম পাহাড়ি উপজেলা হিসেবে পরিচিত বরকল-এ দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স। নৌপথনির্ভর এই অঞ্চলে জরুরি রোগী পরিবহনের একমাত্র সরকারি ভরসাটি অচল থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাহাড় ও কাপ্তাই হ্রদবেষ্টিত বরকল উপজেলায় এখনো কার্যকর সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। ফলে সাধারণ রোগী থেকে শুরু করে মুমূর্ষু রোগীদেরও চিকিৎসার জন্য নৌযানের ওপর নির্ভর করতে হয়। বরকল সদর থেকে নৌপথে রাঙামাটি জেলা সদরে পৌঁছাতে সময় লাগে প্রায় ২ থেকে ৩ ঘণ্টা।

রোগীদের যাতায়াত সুবিধার কথা বিবেচনা করে প্রায় ৭ থেকে ৮ বছর আগে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ বরকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৭৫ হর্সপাওয়ার ইঞ্জিনচালিত একটি ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করে। সেই সঙ্গে তিন বছরের চুক্তিভিত্তিক একজন চালকও নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

তবে শুরু থেকেই অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ ছিল এই সেবাকে ঘিরে। স্থানীয়দের দাবি, বরকল থেকে রাঙামাটি পর্যন্ত রোগী পরিবহনে প্রায় ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া নেওয়া হতো, যা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য ছিল অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

এদিকে চালকের চুক্তি নবায়ন না হওয়া, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সটি ধীরে ধীরে অকেজো হয়ে পড়ে। বর্তমানে সেটি নদীর চরে পড়ে আছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে বরকল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শান্তনু দাশ বলেন, “ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সটি জেলা পরিষদ থেকে চালকসহ দেওয়া হয়েছিল। পরে চালকের চাকরি স্থায়ী না হওয়ায় সেটি ধীরে ধীরে অকেজো হয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার জেলা পরিষদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।”

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্সটি সচল করে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের প্রশ্ন, দুর্গম বরকলবাসী কবে পাবে ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা ও নির্ভরযোগ্য রোগী পরিবহন ব্যবস্থা?


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *